Friday, September 2, 2016

প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডিং শিখুন পর্ব ২.......

know to more......

অনেক ট্রেডার আছে যারা জানে তাদের উচিৎ ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করা, কিন্তু তারা প্রায় তাদের ট্রেড করার জন্য সঠিক ট্রেন্ড খুজে পায়না।
ziAp80c.png
নিচের এই দুটি সাধারণ কারনে ট্রেডাররা ট্রেন্ডের বিপরীতে প্রায় ট্রেড করে থাকে।
  • যারা  জানেনা কিভাবে ট্রেন্ড আইডেন্টিফাই করতে হয়।
  • যারা  মার্কেটের তলানি ও সরবচ্চ উঁচু ধরতে ভালোবাসে, মানে মার্কেটের টপ ও বোটম ধরতে পছন্দ করে।
কিভাবে নির্ণয় করবেন একটি পরিস্কার ট্রেন্ড
সাধারণত ট্রেডাররা প্রথম যে ভুলটি করে থাকে তা হল, তারা যখন ট্রেন্ড নির্ণয় করতে যায় তারা চিন্তা করে যে ফরেক্স পেয়ার গুলো সব সময় ট্রেন্ডে থাকে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন, প্রাইস সব সময় ট্রেন্ডিং মুডে থাকেনা। বেশীরভাগ সময় প্রাইস রেঞ্জ,বিবেচনায় ও এলোমেলো মুডে সময় কাটায়।
অন্য প্রান্তের ট্রেডাররা কঠিনভাবে সংগ্রাম করে থাকে কতদূর পর্যন্ত তারা তাদের চার্ট দেখতে পারে, তাদের কোনটি দেখা উচিৎ লং,মিডিয়াম বা শর্ট ট্রেন্ডটি। বেশীরভাগ চার্টে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে একটি অভারোল ট্রেন্ডের মধ্যে অনেক ছোট ছোট ট্রেন্ড রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন হল প্রাইস কি শুধু রিটাচ করবে লংটার্ম ট্রেন্ডের মধ্যে?বা কি শুধু নতুন ট্রেন্ড গঠন হবে?
এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রত্যেক ট্রেডারকে তারা কি ধরণের টাইমফ্রেম ব্যাবহার করে থাকে ট্রেড করার জন্য। আমি এখানে একটি পদ্ধতি শেখাবো যা হল, আমরা শুধু ট্রেড খুঁজবো একটি সুইং পয়েন্ট হতে পরের সুইং পয়েন্ট পর্যন্ত। আমরা মেজর সুইং খোঁজার জন্য মার্কেটের লাস্ট ৪সপ্তাহ এবং মাস দেখবনা,কিন্তু অবশ্যই ট্রেড দেখবো একটি সুইং লেভেল হতে নেক্সট লেভেল পর্যন্ত। এটা মনে রাখুন,আমাদের ফেভার অনুযায়ী আমরা শুধুমাত্র শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড দেখবো। আমরা আমাদের চার্টকে জুমিং করবোনা বেশী, যা নির্ধারণ করা আসে তাই রাখব,জাতে শুধুমাত্র ক্যান্ডলগুলো পরিস্কার বোঝা যায়, কারন আমরা লং-টার্ম ট্রেন্ড ট্রেড করতে চাইনা।আমরা কি টার্মের চার্ট দেখবোউধাহরনস্বরূপ নিচে দেয়া হল।এই চার্টটি হল একটি হায়ার আপট্রেন্ড এবং একটি সুইং লো গঠন করছে পরবর্তী হাই তৈরি করার জন্য। এই সকল শর্ট-টার্ম সুইং ট্রেন্ডের মধ্যে পাওয়ার জন্য ট্রেডারদের প্রয়োজন শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড দেখা।
একটি বেস্ট ট্রেন্ডে ট্রেড করার জন্য ট্রেন্ডকে শক্তিশালী এবং পরিস্কার দুটোই হতে হবে।ধরুন; আপনি চার্ট দেখছেন,প্রাইস শক্তিশালী ভাবে যে কোন একদিকে মুভ করছে হায়ার বা লোয়ার। যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে এখানে একটি শক্ত ট্রেন্ড আছে,তবে সেখানে কোন ট্রেন্ড না হওয়ার চান্স বেশী থাকে। যদি কোন ৫বছরের পুরনো ট্রেন্ড শক্তিশালী এবং পরিস্কার থাকে তবে তা পয়েন্ট আউট করা করা যায় সহজে। এই ধরণের সিম্পিল ট্রেন্ডগুলো উৎপাদন করে বড় ধরণের উইনিং ট্রেড তা আবার লয়েস্ট রিস্কে।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ;  প্রত্যেকটি টাইমফ্রেম চার্টে আপনার প্রয়োজন আলাদা আলাদা এনালাইসিস এবং ট্রেড করা। উদাহরন;জদি আপনি ট্রেড করেন ৪ঘন্টার চার্টে,তবে আপনি আছেন ৪ঘন্টার চার্টের ট্রেন্ডে,আপনি ডেইলি চার্টের ট্রেন্ডে ট্রেড করবেননা বা দেখবেননা কি হচ্ছে ডেইলি চার্টে। এটি খুবই গুরুত্বপুরন।প্রত্যেকটি চার্টের নিজস্ব ট্রেন্ড রয়েছে।সাপ্তাহিক চার্টের ট্রেন্ড সম্পূর্ণরূপে আলাদা হবে ৪ঘন্টার চার্টের থেকে।
তাই প্রত্যেকটি চার্টকে আলাদা আলাদাভাবে ব্যাবহার করতে শিখুন।
কিভাবে আমরা ট্রেন্ডের পরিবর্তন ধরতে পারবো ?
একটি খুবই বিশ্বাসী মেথড যেটি ট্রেডারদেরকে ট্রেন্ডের পরিবর্তন ধরতে সাহায্য করে থাকে,প্রাইস অ্যাকশান হিসাবে আমরা তাকে ১,২,৩ প্যাটার্ন নামে চিনি।
এই প্যাটার্নটি বিশেষ করে ব্যাবহার হয়ে থাকে শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্যে,এবং ট্রেডারদেরকে ট্রেন্ডের রাইট সাইডে শর্ট-টার্ম সুইং এ ট্রেড করতে সাহায্য করে থাকে।
অনেক ট্রেডার ট্রেন্ড রিভারসাল নির্ণয় করার জন্য মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করে থাকে। মুভিং এভারেজ পাস্টের হিস্টোরিক প্রাইসে বিল্ট করা,তাই মার্কেট রিভারসাল হওয়ার অনেক পরে মুভিং এভারেজ সিগন্যাল দিয়ে থাকে। যদি আপনি প্রাইস অ্যাকশান ব্যাবহার করেন তবে আমি নিশ্চিত যারা ইনডিকেটর ব্যাবহার করে তাদের অনেক আগেই আপনি ট্রেন্ড ধরতে পারবেন। 

ব্যাবহার করুন ১,২,৩ প্যাটার্ন ট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্য 
এই প্যাটার্নটি খুবই সিম্পিল কিন্তু অনেক কার্যকর,পরবর্তী ট্রেন্ড কি হবে তা জানার জন্য এটি আমাদের শো করে অর্ডার ফ্ল। এই প্যাটার্নটি সম্বন্ধে যদি জানতে পারেন তবে দেখবেন যে প্রাথমিক একটি রিভারসাল কনফার্ম হয় থাকে শুধুমাত্র ফ্রেস হাই এবং ফ্রেশ লো দ্বারা।
আমাদের ফার্স্ট স্টেপ হচ্ছে রিভারসালের জন্য ১,২,৩ প্যাটার্নের ১ম লেগটি খুঁজে বের করা।উধাহরনস্বরূপ; যদি আমরা একটি আপট্রেন্ডে থাকি,তবে ১ম লেগটি নতুন একটি লোয়ার লো তৈরি করবে।প্যাটার্নের ২য় লেগটি প্রাইসকে রিটাচ করবে কিন্তু নতুন ফ্রেস হাই তৈরি করতে পারবেনা,এর পরিবর্তে সে একটি লোয়ার হাই তৈরি করবে যা আগের হাই প্রাইসকে ব্রেক করতে পারেনি।এতকিছুর পর কিন্তু আপট্রেন্ড বিদ্যমান আছে যতক্ষণ না পর্যন্ত লেগ ৩ কনফার্ম হচ্ছে। প্যাটার্নের লেগ৩ যদি প্রাইসকে আবারো নিচের দিকে নিয়ে যাবে,এবং যদি সে তার আগের লোয়ার লোকে ব্রেক করে নতুন লোয়ার লো তৈরি করে তবে ১,২,৩ প্যাটার্নটি কনফার্ম হবে।
বুঝলাম আপনারা  কনফিউজ হয়ে গেসেন,কিন্তু নিচের প্রাইস অ্যাকশান চার্টটি দেখলে সব কিছু আপনাদের পরিস্কার হয়ে যাবে। ধরুন একটি আপট্রেন্ড ছিল, যার ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়েছে ১,২,৩ প্যাটার্নের মাধ্যমে। ১ম লেগটিতে হাইলাইট হয় যে প্রাইস নতুন একটি লোয়ার লো তৈরি করছে। ২য় স্টেপে সিদ্ধান্ত নেয়াটা একটু কঠিন। যদি ২য় লেগে প্রাইস নতুন হাই তৈরি করতে পারে তবে ট্রেন্ড কন্টিনিউ হবে,আর যদি না পারে তবে ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।প্যাটার্নের শেষ লেগ যেটি প্রাইসকে আবার নতুন একটি লো প্রাইস তৈরি করার জন্য নিচে নিয়ে যাবে,যদি সে তার আগের লোয়ার প্রাইসকে ব্রেক করে নতুন লোয়ার প্রাইস তৈরি করতে পারে তবে কনফার্ম  ট্রেন্ড পরিবর্তনের সিগন্যাল দিচ্ছে।  

১,২,৩ প্যাটার্ন ব্যাবহার করা হয় একই সাথে আপট্রেন্ড বা ডাউনট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্য।উপরের উধাহরনটি ছিল আপট্রেন্ড থেকে ডাউনট্রেন্ড পরিবর্তনের।নিচের  উধাহরনটি হল এর বিপরীত,ডাউন্ট্রেন্ড হতে আপট্রেন্ড পরিবর্তন।এই রিভারসালটিতে আমাদের প্রয়োজন নতুন হায়ার হাই তৈরি করা,সেটিকে অনুসরণ করে নতুন হায়ার লো তৈরি হবে এবং নতুন আরেকটি হায়ার হাই হাই তৈরি করে কনফার্ম করবে যে ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়েছে।
নিচের চার্টটি দেখুন;

কথায় এন্টার করবেন ট্রেন্ডের (চরম সিদ্ধান্ত)
আমাদেরকে প্রথমে ভেলু এরিয়া এবং সঠিক সুইং পয়েন্ট খুঁজে বের করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত অনেক ট্রেডার প্রতিদিন এন্টার করে মার্কেটের ভুল সাইডে।
যাই হোক; উধাহরন; যদি প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তবে আপনাকে ভেলু এরিয়া খুঁজে বের করতে হবে এবং অপেক্ষা করবেন আপনার ভেলু এরিয়ায় মার্কেট রিটাচ করবে এবং নতুন লো তৈরি করবে, যা আপনাকে একটি সুন্দর সুইং পয়েন্ট দিতে পারে ট্রেড করার জন্য।
সকল মার্কেটে প্রাইস উপরে নিচে মুভ করে। কোন মার্কেটে সরাসরি উঠতেই বা নামতেই থাকেনা।প্রাইস কন্টিনিউ মুভ করার জন্য তার প্রয়োজন নতুন অর্ডার। যদি প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তবে তাকে কন্টিনিউ উপরে মুভ করার জন্য কিছুটা নিচে নামতেই হবে। অর্ডার ফ্ল আমাদেরকে জানায় যে’ আপট্রেন্ডের লো থেকে হাই পর্যন্ত যেই ট্রেডারগন প্রফিটে ছিল তারা তাদের প্রফিট হাই প্রাইসে নিয়ে বের হয় যায়, যার ফলে মার্কেটে বাই অর্ডার কম থাকার কারনে মার্কেট নিচে নামতে সুরু করে এবং নতুন লো তৈরি করে।যদি এই লো পয়েন্টে নতুন বাই অর্ডার পাওয়া যায় তবে প্রাইস আবার উপরের দিকে যেতে সুরু করে, মানে আপট্রেন্ড কন্টিনিউ হতে থাকে। এই পদ্ধতিটি আপট্রেন্ড ডাউনট্রেন্ডে একই ধরণের কাজ করে থাকে।
নিচের চার্টে আপট্রেন্ডে প্যাটার্নটি দেখলে বিস্তারিত বুঝতে পারবেন। আপনি লক্ষ্য করুন প্রাইস ধারাবাহিক ভাবে উপরের দিকে মুভ করার জন্য কিছুটা নিচের দিকে রোটেট করেছে এবং পরে প্রাইস কিন্তু ঠিকই কন্টিনিউ করেছে আপট্রেন্ডের সাথে। সুইং লো খোঁজার জন্য এটি হচ্ছে সেই রটেশন লোয়ার যা ট্রেডারদেরকে খুজে বের করতে হবে টাদের ভেলু এরিয়া থেকে।






একই সাথে সব গুলোকে রাখুন
ফাইনাল স্টেপ যখন আপনি ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করবেন তখন অবশ্যই দেখবেন অনেক সম্ভাবনাময় সেটাপগুলো,যা তৈরি করবে একটি নিয়মতান্ত্রিক এন্ট্রি। অনেক সম্ভাবনাময় প্রাইস অ্যাকশান রিভারসাল সেটাপগুলো নিচে দেয়া হল;

-একটি পিনবার রিভারসাল 

-এংলাফ বার রিভারসাল

-২ বার রিভারসাল প্যাটার্ন
আমি আশা করি আপনারা এনজয় করেছেন এই আর্টিকেলটি,এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনারা ট্রেড করবেন অনেক সম্ভাবনাময় সেটআপগুলোতে এবং কম রিস্কে। আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা  থেকে বলতেছি ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করতে শিখুন,যদি এর বিপরীতে করেন তবে আপনার ট্রেডিং জীবনের মড় ঘুরে যেতে পারে, যা কখনই সুখকর হবেনা।

প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডিং শিখুন পর্ব ১

 click hear....


পরিচিত হন প্রাইস অ্যাকশান এর সাথে
প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং খুবই সাধারণ সিস্টেম যা প্রফেশনাল ট্রাডাররা ব্যাবহার করে থাকে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং মূলত বর্তমান প্রাইস ডাটা এবং পরিস্কার চার্ট নিয়ে গঠিত। প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডারদের আছে কিছু প্যাটার্ন যা তারা দেখে মার্কেট এর যুক্তিযুক্ত লেভেল গুলোতে।
zf0UCCJ.png
প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং সিস্টেম কি?
প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যা প্রফেশনাল ফরেক্স ট্রাডাররা ব্যাবহার করে। বেশি ভাগ প্রফেশনাল ট্রাডার লজিকাল পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা খুবই সহজ।
অন্য দিকে নতুন ফরেক্স ট্রাডাররা ঝুলে থাকে হলি গ্রাইল এর জন্য যা তাদের রাতারাতি বড়লোক বানায় দিবে।
প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং খুবই লজিকাল এবং পরিস্কার নিয়ম কানুন ট্রেড প্যালেস করার জন্য।অন্য দিকে ইন্ডিকেটর মানিয়ে নিতে পারেনা মার্কেট এর পরিবর্তন এর সময় গুলোকে। আর প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং সিগন্যাল গঠন করে বর্তমান মার্কেটের পরিস্থিতির উপর।
প্রাইস অ্যাকশান কি?
খুবই সহজ এবং সাধারণ;
প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডিং হল এমন একটি দক্ষতা যা প্রাইস পড়তে এবং ট্রেড করতে সাহায্য যে কোন চার্ট এ, যে কোন মার্কেটে, যে কোন টাইমফ্রেমে এবং কোন ইন্ডিকেটর ছারাই।
খুবই মৌলিক শর্তাবলী যে প্রাইস অ্যাকশান প্রকাশ করে একটি উপায় যার মাধ্যমে ট্রাডাররা দেখতে পায় মার্কেটে বর্তমানে কি ঘটছে। নির্ধারিত কিছু পেয়ার কি করছে বিশেষ কিছু টাইমফ্রেমে। উধারন, একটি ক্যান্ডলস্টিক বা বার আমাদের দেখাবে কত তুকু উপরে পেয়ার টি গিয়ে ছিল, কতটুকু নিচে পেয়ার গিয়েছিল এবং ওপেনিং ও ক্লসিং প্রাইস। বেশিভাগ প্লাটফর্ম এ আছে ক্যান্ডলস্টিক ও বার এর জন্য বিভিন্ন টাইমফ্রেম যা ১মিনিট থেকে ১মাস পর্যন্ত।
অন্যভাবে যদি চিন্তা করি এর সম্বন্ধে, তবে প্রাইস অ্যাকশান হল যা ট্রাডাররা কি করতেছে এবং কিভাবে তারা ট্রেড করছে, তাই প্রকাশ করে থাকে চার্ট এর মাধ্যমে।
আমরা কি দেখছি চার্টে এবং অন্যরা কি দেকছে তাদের চার্টে, এবং সবাই কি একি ধরণের চিন্তা করছে একি রকম উপকরণ ব্যাবহার এর মাধমে।
নিচে ২টি চার্ট আছে পাশাপাশি, বাম পাশেরটি হচ্ছে পরিস্কার চার্ট যা শুধু প্রাইস বা প্রাইস অ্যাকশান শো করছে। এটি প্রাইস অ্যাকশান ট্রাডাররা ব্যাবহার করে থাকে তাদের ট্রাডিং এর জন্য। ডান পাশের চার্ট ইন্ডিকেটর দিয়ে ভর্তি, এই চার্ট সম্পূর্ণরুপে এলোমেলো এবং কনফিউসিং। প্রাইস অ্যাকশান এর জন্য আমাদের প্রয়োজন পরিস্কার চার্ট যা শুধু প্রাইস ছারা অন্য কিছু শো করবেনা,এমনকি কোন ইন্ডিকেটর ও না।
xYa5zE9.png
কিভাবে ট্রেডাররা প্রাইস অ্যাকশান ব্যাবহার করবে প্রফিট করার জন্য?
প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা প্রাইস  অ্যাকশান চার্ট হতে সঠিক তথ্য গ্রহণ করা অর্জন করতে পারবে এবং তাদের
তার উপর নির্ভর করে ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।   
প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের আছে key সিগন্যাল যা তারা লক্ষ্য করবে বর্তমান মার্কেটে ট্রেড করার জন্য।
প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদেরকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবে, যা তারা প্রাইস দেখার মাধ্যমে পাবে।
  • পেয়ারটি কি ট্রেন্ডে আছে?
  • পেয়ারটি কি রেঞ্জে আছে?
  • প্রাইস কি কোন সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স লেভেলের কাছে আসে?
  • প্রাইসে এমন কোন key সিগন্যাল গঠন করছে যা ইঙ্গিত করছে মার্কেট কথায় যেতে পারে?
প্রাইস ডাটা ব্যাবহারের মাধ্যমে প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা কৌশল রপ্ত করে কিভাবে সাপ্লাই এবং ডিমান্ড তৈরি করতে হয় তাদের চার্টে, এছারাও তারা জানতে পারে প্রাইস কোন দিকে ব্রেক করবে নাকি রিভার্স করবে, এই তথ্য গুলো ব্যাবহারের  মাধ্যমে ট্রেড লাভ করার সম্ভাবনা বেরে যায়।
কি কি ধরণের ট্রেড করবে প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ?
প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ধারাবাহিক ভাবে পরিমাপ করতে পারে প্রাইসকে এবং যে কোন সিগন্যাল তারা ব্যাবহার করতে পারে ট্রেড করার জন্য বা ওপেন ট্রেড মেনেজ করার জন্য। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডার ব্যাবহার করে key কেন্ডলস্টিক প্যাটার্ন key  এরিয়াতে তাদের চার্টে ট্রেড এন্টার করার জন্য। যেমন; প্রাইস অ্যাকশান সিগন্যাল হচ্ছে পিনবার।
একটি পিনবারে যা থাকতে হবে;
  • ওপেন এবং ক্লোজ আগের ক্যান্ডলের মধ্যে হতে হবে,
  • ক্যান্ডলের লওয়ার শেড ৩গুন বড় হবে ক্যান্ডলের বডী থেকে,
  • দীর্ঘ শেড থাকবে যা অন্যান্য বার গুলোকে ছারিয়ে যাবে,
নিচে উধারন দেয়া হল একটি বেয়ারিশ পিনবার এর,
YpIrFGT.png
সব পিনবার কিন্তু সমান রুপে তৈরি হয়না, প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ব্যাবহার করবে শেষের ক্যান্ডলটিকে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ট্রেড করবে কি করবে না। সমগ্র চার্ট তথ্য দেয় যে ট্রেডারদের সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ট্রেড করবে কি করবে না। খুবই ভালো ও বেস্ট পিনবার ট্রেড হবে তখন যদি তা পরিস্কার ট্রেন্ড এবং key সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স লেভেলে পাওয়া যায়।
নিচে উধাহরন পিনবার key রেজিস্টান্স লেভেল।
JTBLitt.png
প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা আর কি ব্যাবহার করে ?
উপরে আমি বলছিলাম যে শুধুমাত্র লাস্ট ক্যান্ডলটি দেখলে হবেনা,সম্পূর্ণ চার্ট দেখে তারপর লাস্ট ক্যান্ডলের সাথে মিলিয়ে ট্রেড করতে হবে।
সফল প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ চার্ট ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য। প্রাইস সব সময় আমাদেরকে কিছু বলে এবং আমাদেরকে তা শিখতে হবে ।
ট্রেন্ড ট্রেডিং
যখন ট্রেড হবে ট্রেন্ড ট্রেডিং, ট্রেডারদের শুধুমাত্র ট্রেড করতে ট্রেন্ড এর দিকে বর্তমান ট্রেন্ডের। যতক্ষণ না পর্যন্ত পদ্ধতি অনুযায়ী সিগন্যাল না পাওয়া যায় এন্টার করবেন না। আপনি হয়তবা সুনে থাকবে একটি কথা যে”ট্রেন্ড হচ্ছে তোমার প্রকিত বন্ধু যতক্ষণ না তা শেষ হচ্ছে” এটি আসলেই সত্যি কথা। সব থেকে ভালো ট্রেড গুলো পাওয়া যায় ট্রেন্ড এর মধ্যে।
ফরেক্স মার্কেটে সব সময় সঠিক ট্রেন্ড পাওয়া যায়না। গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে আপনাকে খুজতে হবে যে মার্কেট কি রেঞ্জে নাকি পরিস্কার ট্রেন্ডে। প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের কাছে কোন বেপারনা মার্কেট রেঞ্জে নাকি ট্রেন্ডে, কারন তারা সেখানে ভালো কিছু ট্রেডের সুযোগ পেতে পারে।
ট্রেন্ড খুজে বের করা প্রাইস অ্যাকশান খুবই সহজ এবং সাধারণ। যখন আমরা ট্রেড করবো ট্রেন্ডের সাথে তখন আমাদের দেখতে হবে ট্রেন্ডটি পরিস্কার কিনা। যদি পরিস্কার ট্রেন্ড না হয় তবে এটি শক্তিশালী ট্রেন্ড না হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি, তখন আমাদের প্রয়োজন অন্য ট্রেড দেখা বা সেখানে রেঞ্জ ট্রেড করা।
যে কারনে পরিস্কার চার্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন আমাদের বুঝতে হবে প্রাইস এখন কি করছে। এটি আসলে খুবই কঠিন যখন খুজবেন ট্রেন্ড।
লক্ষ্য করুন নিচের চার্টটি, প্রাইসের ট্রেন্ড পরিস্কার ভাবে উপরের দিকে যাচ্ছে। এটি খুবই পরিস্কার ট্রেন্ড এবং এখানে শুধুমাত্র ট্রেড বাই ট্রেড করতে হবে ট্রেন্ডের সাথে।
5SinjEx.png?1
সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স
এটি ট্রেন্ড নির্ধারণের থেকেও বেশি জরুরী, key একটি সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল। কারণ সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সে মার্কেট বেশীরভাগ সময় রেস্ট নিয়ে থাকে এবং সর্বদা তারা তাই করে থাকে। ফরেক্স হচ্ছে ওয়ার্ল্ডের মধ্যে সব থেকে বেস্ট মার্কেট সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সের জন্য, যা কাজ করে সব থেকে বেশী।
সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স কিন্তু সব সময় হল্ড করেনা, তারা প্রায় কাজ করে key লেভেল হিসাবে যা প্রফিটেবল গঠন করতে সাহায্য করে।
প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডাররা ধারাবাহিক ভাবে লক্ষ্য রাখে key সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেলে ট্রেড করার জন্য। যদি সাধারণভাবে লক্ষ্য করি যে কোন ফরেক্স চার্টে তবে দেখা যাবে কিভাবে সেই লেভেল গুলোকে প্রাইস রিস্পেক্ট করছে।
সাকসেসফুল ট্রেড করার জন্য প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের প্রয়োজন সঠিক সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেল খুজে বের করার কৌশল রপ্ত করা। যখন প্রাইস সেই লেভেল গুলোতে যাবে তখন অপেক্ষা করতে হবে সিগন্যালের এন্টার করার জন্য।
নিচে উধাহরন; পরিস্কার সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্স লেভেলের;
RjvJGGE.png
নিচে আরেকটি উধাহরন; কিভাবে ট্রেড করার জন্য ট্রেডাররা সাপোর্ট এবং রেজিস্টান্সকে ব্যাবহার করতে পারবে। নিচের চার্টটি শো করছে কিভাবে পিনবার গঠন হল একটি সুন্দর Key সাপোর্ট লেভেলে, এবং পরে প্রাইস সাপোর্ট লেভেলকে রিজেক্ট করে আবারো উপরের দিকে উঠা শুরু করলো।
fxdgfXt.png
আশা করি আপনারা প্রাইস অ্যাকশান এর সাথে মোটামোটি পরিচিত হয়েছেন।

Thursday, September 1, 2016

ট্রেড করুন পিনবার দিয়ে ৮৫ ভাগ সফল হবেন

 http://forexbd4you.blogspot.com/2015/09/blog-post.html

 click to read......
পিনবার
 
পিনবার হল প্রাইস অ্যাকশান এর একটি রূপ, যা পাওয়া যায় যে কোন টাইমফ্রেমে যে কোন মার্কেটে। পিনবারের ফুল নাম হচ্ছে pinocchio bar,এই নামটি দেয়ার কারণ সিগন্যাল মিথ্যা বলে মার্কেটে বা ট্রেডারদের সাথে প্রতারনা করে পাইস এক দিকে যায় পরে অন্য দিকে ঘুরে যায়, মানে রিভার্স করে। পিনবার মিথ্যা বলে ট্রেডারদের ট্রাপে ফেলায় যা আমাদের সতর্ক করে যে মার্কেটে প্রচুর পরিমানে লট ব্যাবহার হচ্ছে যা মার্কেটকে অন্য দিকে ঘুড়িয়ে নে। একটি পিনবার তখনি বেস্ট কাজ করবে যখন তার স্টিক পাশের সব গুলো ক্যান্ডলকে ছারিয়ে যাবে এবং খুবি পরিস্কার হবে। খুবই বড় এবং পরিস্কার পিনবার শক্তিশালী এবং অনেক সম্ভাবনাময়ী হয়ে থাকে তখন, যখন তা গঠন হয় সঠিক এরিয়াতে।
 
এই টাইপের সিগন্যালকে অনেক সম্ভাবনাময়ী সিগন্যাল প্রাইস অ্যাকশান ট্রেডারদের জন্য।
যেই পিনবার গুলো ছোট এবং পরিস্কার নয় সেখানে আমদের ট্রেড করা উচিৎ না।
 
একটি পিনবারে যা থাকতে হবে;
 
  • ওপেন এবং ক্লোজ আগের ক্যান্ডলের মধ্যে হতে হবে,
  • ক্যান্ডলের লওয়ার শেড ৩গুন বড় হবে ক্যান্ডলের বডী থেকে,
  • দীর্ঘ শেড থাকবে যা অন্যান্য বার গুলোকে ছারিয়ে যাবে,
 
নিচে উধারন দেয়া হল একটি বেয়ারিশ পিনবার এর,
 

পিনবার ট্রেড করা যাবে সব ধরণের মার্কেটে। পিনবারের গঠন হচ্ছে রিভার্স সিগন্যাল। প্রায় আপনি পিনবারকে পাবেন ট্রেন্ড পরিবর্তনের সময়।
 
 
কিভাবে শক্তিশালী ডাউনট্রেন্ডকে একটি পিনবার আপট্রেন্ডে পরিবর্তন করে দিয়েছে, তা নিচের পিকচারটি দেখলেই বুঝা যায়।
বুলিশ পিনবার গঠন হয়েছে একটি  সাপোর্ট লেভেলে, দ্বিতীয়বার বুলিশ পিনবার তৈরি হওয়ার কারণে এই সাপোর্ট লেভেলটি থেকে মার্কেট বুল হওয়ার প্রবণতা বেরে গেছে।

নিচের পিকচারটি দেখুন,  এখানে একটি কী এরিয়াতে বেয়ারিশ পিনবার হয়েছে। আর আমাদের মেইন ফকাস থাকবে কী এরিয়া গুলোতে সিগন্যাল খোজার।

বুলিশ পিনবার তৈরি করছে ফলস ব্রেক সাপোর্ট লেভেল থেকে, যা আমাদের কনফার্ম করতেছে যে, এখানে পর্যাপ্ত পরিমানে বায়ার আছে, যারা মার্কেটের পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম।
 শুধুই কি পিনবার পেলে আমরা ট্রেড করব? নাকি আর অনেক বিষয় আছে?
 
ট্রেডারদের এছাড়াও প্রয়োজন আছে কিছু বিষয়ের;
 
যেমনঃ
  • কথায় ট্রেড করতে হবে পিনবার গঠন হলে
  •  
  • কিভাবে মেনেজ করতে হবে পিনবারের স্টপ লস
  •  
  • কোন পিনবারটি ট্রেড করার জন্য বেস্ট
  •  
  • কিভাবে এন্টার করতে হবে পিনবারে
  •  
  • কিভাবে মানেজ করতে হবে ট্রেডটিকে কতটুকু রিস্ক গ্রহন করা যায় মিনিমাম
  •  
  • কখন টেক প্রফিট নিতে হবে
  •  
  • কখন পিনবার সেটআপে ট্রেড করা জাবেনা
  •  
  • কখন পিনবার ট্রেড করার ভালো সময়
 
আপনারা যদি উপরের সকল বিষয় সম্পূর্ণ  ভাবে মেনে চলেন তবে আশা করা যায়, ইনশাল্লাহ আপনারা ভাল ভাল পিনবার সেটআপ গুলোতে ট্রেড করে প্রফিট করতে পারবেন। 

জিরো জিরো স্ক্যাল্পিং স্ট্রাটেজি কি?????????

ফরেক্সে একটি ব্যাপার কি খেয়াল করেছেন যে “০০” মানে “শত” এর দিকে প্রাইস ধাবিত হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি। অর্থাৎ, মার্কেট যখন ভোলাটাইল, প্রাইস যদি ৫০ ক্রস করে উপরে উঠে তবে তা ১০০ হিট করবে আর যদি ৫০ এর নিচে নেমে যায় তবে তা নিচের ১০০ হিট করার প্রবনতা বেশি, কারন অনেক লং টার্ম ট্রেডার তাদের টার্গেট সেট করে “০০” শত লেভেলে তাই প্রাইস তা টাচ দ্রুত করে আরও উপরে যেতে পারে বা রিট্রেস করে নিচেও নেমে আসতে পারে।

gj7DGmx.png


যারা নিয়মিত ফরেক্স নিউজ সাইটগুলোর প্রতি নজর রাখেন, তারা দেখবেন সাইটগুলো প্রধানত EURUSD ১.৩৬০০ ব্রেক করতে পারলো কিনা, কিংবা লন্ডন সেশন শেষে ১.৩৭০০ এর ওপর পর্যন্ত প্রাইস থাকতে পারল কিনা এ ধরণের নিউজের প্রতি বেশি প্রাধান্য দেয়। এই ধরণের ০০ প্রাইস লেভেলগুলো সাধারনত শক্তিশালী সাপোর্ট এবং রেসিসট্যান্স হিসেবে ভালো কাজ করে, আর ট্রেডারদের টার্গেট থাকে এগুলো ব্রেক করার। এখন আপনার প্রশ্ন জাগতে পারে যে এই প্রাইসগুলোর আশে-পাশে তো বারবার ঘোরাফেরা করে আবার ফিরে আসে, তাহলে টেক প্রফিট কি ০০ তেই দেবো? নাকি কয়েক পিপস কমিয়ে দিবো? এটা আসলে সম্পূর্ণরুপে আপনার ইচ্ছা। যেহুতু বেশিরভাগ সময়ি এই ধরণের ০০ লেভেল ব্রেক হয়, তাই ০০ তেই টিপি সেট করতে পারেন।

আর একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে যে অবশ্যই ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস করতে হবে, মানে ফান্ডামেন্টাল নির্দেশ করছে পেয়ারটি হয়তো ১.৩৫০০ ক্রস করবে আর কিন্তু আপনি ট্রেড দিতে চাচ্ছেন টার্গেট ১.৩৪০০ নিয়ে তাহলে কিছুই বলার নেই, লস হবেই । তাই ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিসকে সাথে রেখেই ট্রেড করবেন। হয়তো সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে নয়, কিন্তু ধারনা রাখতে হবে।
চলুন দেখে নেই এই সেটাপ দিয়ে একটি ট্রেড আইডিয়াঃ

বাই সিগনালঃ
  • প্রাইস ৫০-৬০ ক্রস করে উপরে উঠেছে
  • বাই লিমিট @৮০, মানে প্রাইস ৮০ ক্রস করলে ট্রেড ওপেন হবে
  • স্টপ লস @৬০
  • আর এক্সিট ০০ তে

সেল সিগনালঃ
  • প্রাইস ৫০-৪০ ক্রস করে নিচে নেমেছে
  • সেল লিমিট @২০, মানে প্রাইস ২০ ক্রস করলে ট্রেড ওপেন হবে
  • স্টপ লস @৪০
  • আর এক্সিট ০০ তে

ব্যাপার হল এই খানে রিস্ক এন্ড রিওয়ার্ড রেশিও। যদিও স্ক্যাল্পিং ট্রেডে রিস্ক-রিওয়ার্ড রেশিও মেনে চলা কঠিন। এই ক্ষেত্রে আমরা টার্গেটকে দুই ভাবে সিলেক্ট করতে পারি।

সেটাপ ১
  • প্রাইস ৫০-৬০ ক্রস করে উপরে উঠেছে
  • বাই লিমিট @৮০, মানে প্রাইস ৮০ ক্রস করলে ট্রেড ওপেন হবে
  • স্টপ লস @৬০
  • আর টার্গেট ৯০ তে, এতে রিস্ক রিওয়ার্ড ২:১, কারন আপনার স্টপ লস ছোট নিলে তা দ্রুত হিট করবে।

তবে আমরা কিন্তু আমাদের ট্রেড এই ভাবেও সেটাপ করতে পারিঃ

সেটাপ ২
  • প্রাইস ৫০-৬০ ক্রস করে উপরে উঠেছে
  • বাই লিমিট @৮০, মানে প্রাইস ৮০ ক্রস করলে ট্রেড ওপেন হবে
  • স্টপ লস @৬০
  • আর এক্সিট ১০০ তে ৫০% ও বাকি ৫০% এ ট্রেইলিং স্টপ এতে বেশি প্রফিট পাওয়ার সম্ভাবনা থেকে।

নিচে একটি লাইভ চার্ট আনাল্যসিস দেখানো হল

bdpips_1391610844__as.png


যদিও আমরা স্ক্যাল্পিং করতে চাই, কিন্তু এসব ক্ষেত্রে ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করলে মাঝে মাঝে ০০ লেভেল ব্রেক করলে ভালো পিপস মুভমেন্টের কারণে লাভও ভালো পাওয়া যায়। কোনটি আপনার ক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী তা বিবেচনা করে ট্রেড করুন।