know to more......
অনেক ট্রেডার আছে যারা জানে তাদের উচিৎ ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করা, কিন্তু তারা প্রায় তাদের ট্রেড করার জন্য সঠিক ট্রেন্ড খুজে পায়না।
ব্যাবহার করুন ১,২,৩ প্যাটার্ন ট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্য
১,২,৩ প্যাটার্ন ব্যাবহার করা হয় একই সাথে আপট্রেন্ড বা ডাউনট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্য।উপরের উধাহরনটি ছিল আপট্রেন্ড থেকে ডাউনট্রেন্ড পরিবর্তনের।নিচের উধাহরনটি হল এর বিপরীত,ডাউন্ট্রেন্ড হতে আপট্রেন্ড পরিবর্তন।এই রিভারসালটিতে আমাদের প্রয়োজন নতুন হায়ার হাই তৈরি করা,সেটিকে অনুসরণ করে নতুন হায়ার লো তৈরি হবে এবং নতুন আরেকটি হায়ার হাই হাই তৈরি করে কনফার্ম করবে যে ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়েছে।
একই সাথে সব গুলোকে রাখুন
নিচের এই দুটি সাধারণ কারনে ট্রেডাররা ট্রেন্ডের বিপরীতে প্রায় ট্রেড করে থাকে।
- যারা জানেনা কিভাবে ট্রেন্ড আইডেন্টিফাই করতে হয়।
- যারা মার্কেটের তলানি ও সরবচ্চ উঁচু ধরতে ভালোবাসে, মানে মার্কেটের টপ ও বোটম ধরতে পছন্দ করে।
কিভাবে নির্ণয় করবেন একটি পরিস্কার ট্রেন্ড
সাধারণত ট্রেডাররা প্রথম যে ভুলটি করে থাকে তা হল, তারা যখন ট্রেন্ড নির্ণয় করতে যায় তারা চিন্তা করে যে ফরেক্স পেয়ার গুলো সব সময় ট্রেন্ডে থাকে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন, প্রাইস সব সময় ট্রেন্ডিং মুডে থাকেনা। বেশীরভাগ সময় প্রাইস রেঞ্জ,বিবেচনায় ও এলোমেলো মুডে সময় কাটায়।
অন্য প্রান্তের ট্রেডাররা কঠিনভাবে সংগ্রাম করে থাকে কতদূর পর্যন্ত তারা তাদের চার্ট দেখতে পারে, তাদের কোনটি দেখা উচিৎ লং,মিডিয়াম বা শর্ট ট্রেন্ডটি। বেশীরভাগ চার্টে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে একটি অভারোল ট্রেন্ডের মধ্যে অনেক ছোট ছোট ট্রেন্ড রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন হল প্রাইস কি শুধু রিটাচ করবে লংটার্ম ট্রেন্ডের মধ্যে?বা কি শুধু নতুন ট্রেন্ড গঠন হবে?
এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রত্যেক ট্রেডারকে তারা কি ধরণের টাইমফ্রেম ব্যাবহার করে থাকে ট্রেড করার জন্য। আমি এখানে একটি পদ্ধতি শেখাবো যা হল, আমরা শুধু ট্রেড খুঁজবো একটি সুইং পয়েন্ট হতে পরের সুইং পয়েন্ট পর্যন্ত। আমরা মেজর সুইং খোঁজার জন্য মার্কেটের লাস্ট ৪সপ্তাহ এবং মাস দেখবনা,কিন্তু অবশ্যই ট্রেড দেখবো একটি সুইং লেভেল হতে নেক্সট লেভেল পর্যন্ত। এটা মনে রাখুন,আমাদের ফেভার অনুযায়ী আমরা শুধুমাত্র শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড দেখবো। আমরা আমাদের চার্টকে জুমিং করবোনা বেশী, যা নির্ধারণ করা আসে তাই রাখব,জাতে শুধুমাত্র ক্যান্ডলগুলো পরিস্কার বোঝা যায়, কারন আমরা লং-টার্ম ট্রেন্ড ট্রেড করতে চাইনা।আমরা কি টার্মের চার্ট দেখবোউধাহরনস্বরূপ নিচে দেয়া হল।এই চার্টটি হল একটি হায়ার আপট্রেন্ড এবং একটি সুইং লো গঠন করছে পরবর্তী হাই তৈরি করার জন্য। এই সকল শর্ট-টার্ম সুইং ট্রেন্ডের মধ্যে পাওয়ার জন্য ট্রেডারদের প্রয়োজন শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড দেখা।
একটি বেস্ট ট্রেন্ডে ট্রেড করার জন্য ট্রেন্ডকে শক্তিশালী এবং পরিস্কার দুটোই হতে হবে।ধরুন; আপনি চার্ট দেখছেন,প্রাইস শক্তিশালী ভাবে যে কোন একদিকে মুভ করছে হায়ার বা লোয়ার। যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে এখানে একটি শক্ত ট্রেন্ড আছে,তবে সেখানে কোন ট্রেন্ড না হওয়ার চান্স বেশী থাকে। যদি কোন ৫বছরের পুরনো ট্রেন্ড শক্তিশালী এবং পরিস্কার থাকে তবে তা পয়েন্ট আউট করা করা যায় সহজে। এই ধরণের সিম্পিল ট্রেন্ডগুলো উৎপাদন করে বড় ধরণের উইনিং ট্রেড তা আবার লয়েস্ট রিস্কে।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ; প্রত্যেকটি টাইমফ্রেম চার্টে আপনার প্রয়োজন আলাদা আলাদা এনালাইসিস এবং ট্রেড করা। উদাহরন;জদি আপনি ট্রেড করেন ৪ঘন্টার চার্টে,তবে আপনি আছেন ৪ঘন্টার চার্টের ট্রেন্ডে,আপনি ডেইলি চার্টের ট্রেন্ডে ট্রেড করবেননা বা দেখবেননা কি হচ্ছে ডেইলি চার্টে। এটি খুবই গুরুত্বপুরন।প্রত্যেকটি চার্টের নিজস্ব ট্রেন্ড রয়েছে।সাপ্তাহিক চার্টের ট্রেন্ড সম্পূর্ণরূপে আলাদা হবে ৪ঘন্টার চার্টের থেকে।
তাই প্রত্যেকটি চার্টকে আলাদা আলাদাভাবে ব্যাবহার করতে শিখুন।
কিভাবে আমরা ট্রেন্ডের পরিবর্তন ধরতে পারবো ?
একটি খুবই বিশ্বাসী মেথড যেটি ট্রেডারদেরকে ট্রেন্ডের পরিবর্তন ধরতে সাহায্য করে থাকে,প্রাইস অ্যাকশান হিসাবে আমরা তাকে ১,২,৩ প্যাটার্ন নামে চিনি।
এই প্যাটার্নটি বিশেষ করে ব্যাবহার হয়ে থাকে শর্ট-টার্ম ট্রেন্ড রিভারসাল ধরার জন্যে,এবং ট্রেডারদেরকে ট্রেন্ডের রাইট সাইডে শর্ট-টার্ম সুইং এ ট্রেড করতে সাহায্য করে থাকে।
অনেক ট্রেডার ট্রেন্ড রিভারসাল নির্ণয় করার জন্য মুভিং এভারেজ ব্যাবহার করে থাকে। মুভিং এভারেজ পাস্টের হিস্টোরিক প্রাইসে বিল্ট করা,তাই মার্কেট রিভারসাল হওয়ার অনেক পরে মুভিং এভারেজ সিগন্যাল দিয়ে থাকে। যদি আপনি প্রাইস অ্যাকশান ব্যাবহার করেন তবে আমি নিশ্চিত যারা ইনডিকেটর ব্যাবহার করে তাদের অনেক আগেই আপনি ট্রেন্ড ধরতে পারবেন।
এই প্যাটার্নটি খুবই সিম্পিল কিন্তু অনেক কার্যকর,পরবর্তী ট্রেন্ড কি হবে তা জানার জন্য এটি আমাদের শো করে অর্ডার ফ্ল। এই প্যাটার্নটি সম্বন্ধে যদি জানতে পারেন তবে দেখবেন যে প্রাথমিক একটি রিভারসাল কনফার্ম হয় থাকে শুধুমাত্র ফ্রেস হাই এবং ফ্রেশ লো দ্বারা।
আমাদের ফার্স্ট স্টেপ হচ্ছে রিভারসালের জন্য ১,২,৩ প্যাটার্নের ১ম লেগটি খুঁজে বের করা।উধাহরনস্বরূপ; যদি আমরা একটি আপট্রেন্ডে থাকি,তবে ১ম লেগটি নতুন একটি লোয়ার লো তৈরি করবে।প্যাটার্নের ২য় লেগটি প্রাইসকে রিটাচ করবে কিন্তু নতুন ফ্রেস হাই তৈরি করতে পারবেনা,এর পরিবর্তে সে একটি লোয়ার হাই তৈরি করবে যা আগের হাই প্রাইসকে ব্রেক করতে পারেনি।এতকিছুর পর কিন্তু আপট্রেন্ড বিদ্যমান আছে যতক্ষণ না পর্যন্ত লেগ ৩ কনফার্ম হচ্ছে। প্যাটার্নের লেগ৩ যদি প্রাইসকে আবারো নিচের দিকে নিয়ে যাবে,এবং যদি সে তার আগের লোয়ার লোকে ব্রেক করে নতুন লোয়ার লো তৈরি করে তবে ১,২,৩ প্যাটার্নটি কনফার্ম হবে।
বুঝলাম আপনারা কনফিউজ হয়ে গেসেন,কিন্তু নিচের প্রাইস অ্যাকশান চার্টটি দেখলে সব কিছু আপনাদের পরিস্কার হয়ে যাবে। ধরুন একটি আপট্রেন্ড ছিল, যার ট্রেন্ড পরিবর্তন হয়েছে ১,২,৩ প্যাটার্নের মাধ্যমে। ১ম লেগটিতে হাইলাইট হয় যে প্রাইস নতুন একটি লোয়ার লো তৈরি করছে। ২য় স্টেপে সিদ্ধান্ত নেয়াটা একটু কঠিন। যদি ২য় লেগে প্রাইস নতুন হাই তৈরি করতে পারে তবে ট্রেন্ড কন্টিনিউ হবে,আর যদি না পারে তবে ট্রেন্ড পরিবর্তনের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে।প্যাটার্নের শেষ লেগ যেটি প্রাইসকে আবার নতুন একটি লো প্রাইস তৈরি করার জন্য নিচে নিয়ে যাবে,যদি সে তার আগের লোয়ার প্রাইসকে ব্রেক করে নতুন লোয়ার প্রাইস তৈরি করতে পারে তবে কনফার্ম ট্রেন্ড পরিবর্তনের সিগন্যাল দিচ্ছে।
নিচের চার্টটি দেখুন;
কথায় এন্টার করবেন ট্রেন্ডের (চরম সিদ্ধান্ত)
আমাদেরকে প্রথমে ভেলু এরিয়া এবং সঠিক সুইং পয়েন্ট খুঁজে বের করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত অনেক ট্রেডার প্রতিদিন এন্টার করে মার্কেটের ভুল সাইডে।
যাই হোক; উধাহরন; যদি প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তবে আপনাকে ভেলু এরিয়া খুঁজে বের করতে হবে এবং অপেক্ষা করবেন আপনার ভেলু এরিয়ায় মার্কেট রিটাচ করবে এবং নতুন লো তৈরি করবে, যা আপনাকে একটি সুন্দর সুইং পয়েন্ট দিতে পারে ট্রেড করার জন্য।
সকল মার্কেটে প্রাইস উপরে নিচে মুভ করে। কোন মার্কেটে সরাসরি উঠতেই বা নামতেই থাকেনা।প্রাইস কন্টিনিউ মুভ করার জন্য তার প্রয়োজন নতুন অর্ডার। যদি প্রাইস আপট্রেন্ডে থাকে তবে তাকে কন্টিনিউ উপরে মুভ করার জন্য কিছুটা নিচে নামতেই হবে। অর্ডার ফ্ল আমাদেরকে জানায় যে’ আপট্রেন্ডের লো থেকে হাই পর্যন্ত যেই ট্রেডারগন প্রফিটে ছিল তারা তাদের প্রফিট হাই প্রাইসে নিয়ে বের হয় যায়, যার ফলে মার্কেটে বাই অর্ডার কম থাকার কারনে মার্কেট নিচে নামতে সুরু করে এবং নতুন লো তৈরি করে।যদি এই লো পয়েন্টে নতুন বাই অর্ডার পাওয়া যায় তবে প্রাইস আবার উপরের দিকে যেতে সুরু করে, মানে আপট্রেন্ড কন্টিনিউ হতে থাকে। এই পদ্ধতিটি আপট্রেন্ড ডাউনট্রেন্ডে একই ধরণের কাজ করে থাকে।
নিচের চার্টে আপট্রেন্ডে প্যাটার্নটি দেখলে বিস্তারিত বুঝতে পারবেন। আপনি লক্ষ্য করুন প্রাইস ধারাবাহিক ভাবে উপরের দিকে মুভ করার জন্য কিছুটা নিচের দিকে রোটেট করেছে এবং পরে প্রাইস কিন্তু ঠিকই কন্টিনিউ করেছে আপট্রেন্ডের সাথে। সুইং লো খোঁজার জন্য এটি হচ্ছে সেই রটেশন লোয়ার যা ট্রেডারদেরকে খুজে বের করতে হবে টাদের ভেলু এরিয়া থেকে।
ফাইনাল স্টেপ যখন আপনি ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করবেন তখন অবশ্যই দেখবেন অনেক সম্ভাবনাময় সেটাপগুলো,যা তৈরি করবে একটি নিয়মতান্ত্রিক এন্ট্রি। অনেক সম্ভাবনাময় প্রাইস অ্যাকশান রিভারসাল সেটাপগুলো নিচে দেয়া হল;
-একটি পিনবার রিভারসাল
-এংলাফ বার রিভারসাল
-২ বার রিভারসাল প্যাটার্ন
আমি আশা করি আপনারা এনজয় করেছেন এই আর্টিকেলটি,এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনারা ট্রেড করবেন অনেক সম্ভাবনাময় সেটআপগুলোতে এবং কম রিস্কে। আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি ট্রেন্ডের সাথে ট্রেড করতে শিখুন,যদি এর বিপরীতে করেন তবে আপনার ট্রেডিং জীবনের মড় ঘুরে যেতে পারে, যা কখনই সুখকর হবেনা।








No comments:
Post a Comment