Friday, July 29, 2016

ভালো ট্রেডার হওয়ার ১২ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস!!!!!!!!!!

১। বেসিক থেকে শুরু করুন।
খুব সহজে বলতে হয় যে একজন ট্রেডার হতে হলে প্রথমে আপনাকে ফরেক্স মারকেট বেসিক টার্মগুলো জানতে হবে। রেগুলার অর্থাৎ ডেইলি বেসিসে আপনি আস্তে আস্তে বিষয় গুলো শিখবেন কোন রকম তাড়াহুড়ো ছাড়া। একদিনে একসাথে সব গুলো বিষয় শিখে বিশাল জ্ঞানী হওয়ার চিন্তা বাদ দিন। সময় নিন , খুব বেশি এক্সসাইটেড হবেন না।
২। দ্রুত লাভ করার চিন্তা ত্যাগ করুন, অভিজ্ঞতা তৈরি করে আস্তে আস্তে লাভ করতে শিখুন।
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ফরেক্স হল শর্টকাটে এবং কম সময়ে ধনী হওয়ার একমাত্র পথ তাহলে আপনি ভুল করছেন। প্রথমে বিষয়টা ভালো ভাবে আয়ত্তে আনুন অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। শুধু মাত্র ফরেক্স নয় যেকোন ক্যারিয়ারে আপনি যত সময় ব্যয় করবেন আপনি তত বেশি লাভবান হবেন। আপনার বন্ধু যে সময়ে ১০০ পিপস অর্জন করে ঠিক একই সময়ে আপনি মাত্র কয়েক পিপস মেইক করেন, পার্থক্যটা কি? পার্থক্যটা হল অভিজ্ঞতা ! আপনার বন্ধু গত ৫ বছর ধরে ট্রেড করে আর আপনি সেই কয়েকদিন হল শুরু করেছেন।
মনে রাখবেন ফরেক্স হল একটি ক্যারিয়ার , রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন স্কিম নয়।
৩। এক্সপার্ট হউন।
শিখার শুরুতে অনেকে প্রথমেই খুজে বেড়ান এক্সপার্টদের, ভাবেন একজন এক্সপার্ট এর ছায়া পেলে বুঝি অল্প সময়ে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন, বিষয়টা পুরোপুরি অস্বীকার করছি না। তবে এক্সপার্ট হওয়ার সুপ্ত বাসনায় আপনার এক্সপার্ট হওয়ার পথে একধাপ। দিনে দিনে আপনার স্বাভাবিক শিখার ফলাফলই হচ্ছে এক্সপার্ট এর আরেক রুপ। কারন অভিজ্ঞতার আলোকেই এক্সপার্ট হওয়া যায় তাই নিজ অভিজ্ঞতা গুনে আপনার স্বপ্ন সফল করুন। এক্সপার্ট এর অভিজ্ঞতা তার সম্পূর্ণ নিজের আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে ঐ পথ পাড়ি দিবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত তা কেবল আপনার স্বপ্নই থেকে যাবে।
৪। নিজের এনালাইসিস ব্যাবহার করুন।
অন্ধের মত আরেকজনকে ফলো করা আপনাকে অন্ধই করে তুলবে। আপনার লক্ষ্য হল একজন সফল ট্রেডার হওয়া তাই এনালাইসিস মেথডগুলো ভালো ভাবে রপ্ত করে নিজেই নিজের ট্রেড এনালাইসিস করুন। নিজের আনালাইসিসে ট্রেড করতে সমর্থ হলে আপনার এনালাইসিসই আপনাকে প্রফেশনাল ট্রেডার করে তুলবে। স্ব – ঘোষিত কোন গুরুকে অন্ধের মত ফলো করলে গুরু যখন তার টিপস প্রদান বন্ধ করে দিবে তখন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। তাই নিজেই নিজের গুরু হুউন।
৫। ডেমো
সব কথার শ্রেষ্ঠ কথা হল ডেমো ট্রেডিং। ডেমো ট্রেডিং আপনাকে আপনার নতুন ট্রেডিং এর ভুল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং ট্রেডিং এ খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে সাহায্য করবে। ডেমো ট্রেড ভিবিন্ন ব্রোকারের লাইভ ট্রেড থেকে সুপার যেমন ভালো আক্সিকিউশন স্পীড। প্রত্যেক ট্রেডিং মেথড এর টেস্ট হল ডেমো। ডেমো সাকসেস রেইট ভালো হলে তা লাইভ ট্রেডে ব্যাবহার করুন। আপনার যত স্টাইল আছে তা সর্বপ্রথম ডেমোতে ব্যাবহার করুন। যেমন ইচ্ছে ট্রেড গুলো ডেমোতে ফলান। তারপর সিলেক্ট করুন কোন স্ট্রেটিজি গুলো রিয়েল ট্রেডে ব্যবহার করুন।
৬। ভুল থেকে শিখুন
প্রতিবারের টেস্ট ট্রেড গুলোর সাকসেস এবং ফেইলার নোট নিন। পরপর তিনটি ব্যর্থ ট্রেডে কিছু সময়ের জন্য (আরো বেশি হতে পারে) ট্রেড থেকে অবসর নিন। এবং ব্রেকের পরে ঠান্ডা মাথায় আবার সময় দিন। তিনবার লস ট্রেডিং মেথড এ চতুর্থ বারের সাকসেস চিন্তা করে লাইভ করতে জাবেন না। লস ট্রেডগুলো নিয়ে এনালাইসিস শুরু করেন, ভুলটা কোথায় ছিল বা কেনো ঠিক কাজ করেনি। যথাঝথ কারন বের করে ভুল গুলো শুদ্রে পরবর্তী ট্রেডে অগ্রসর হউন।
৭। ভালো মেথড তৈরি করুন।
নতুন বেশিরভাগ ট্রেডাররা প্রথমে লস করে। কারন হল অধিক উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাহিদা এবং প্রপার সময়ের আগে ট্রেড করা। তাই বলছি, অধিক পরিমানে উত্তেজিত হয়ে ট্রেড না করে, আগে বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে আনুন, অভিজ্ঞতা নিন এবং মিনিমাম রিস্কে ট্রেড শুরু করুন। প্রতিবার ট্রেড করার পূর্বে ঠিক করুন এবং চেক করে নিন ট্রেডিং হাতিয়ার(স্ট্রেটিজি) ঠিক আছে কিনা। ট্রেডটি থেকে কত আশা করেন ইত্যাদি সবকিছু।
৮। নিজের মেথডে স্ট্রিক থাকুন।
প্রত্তেক ট্রেডিং মেথডের ভালো এবং খারাপ আছে। কোন ট্রেডিং মেথডই ১০০% প্রফিটেবল নয়। আপনার ট্রেডিং মেথডের ১০টি ট্রেডের মধ্যে ৭টি প্রফিট এবং ৩ টি লস আছে, আপনি সাকসেস। কখনো আপনার ট্রেডিং সাকসেস রেইট আরো কমে জেতে পারে সেই ক্ষেত্রে নিরাশ বা উত্তেজিত না হয়ে মারকেট চেঞ্জ বুঝে স্ট্রেটিজি আপডেট করুন এবং নিজের স্ট্রেটিজিতে স্ট্রিক থাকুন কারন আপনার স্ট্রেটিজি কতটুকু ফলফ্রুস তা কেবল আপনিই জানেন।
৯। সবকিছু সহজভাবে চিন্তা করুন।
আপনার ট্রেডিং কে কোনভাবেই খুব বেশি কঠিন ভাবার কোন কারন নেই। সহজ ভাবে শুরু করুন দেখবেন আসলেই সহজ, মনে অঝথা কোন ভিতি সৃষ্টি দরকার নেই। নিজের সুবিধামত সময় নির্ধারণ করে ট্রেডে সময় দিন। সময় কম দিন কিন্তু তা জেনো ইফেক্টিভ হয়। অর্থাৎ যদি সময় বেশি দিতে না পারেন তাহলে যতটুকু দিবেন তা শুধু ট্রেডিং আর জন্য ব্যায় করুন। নতুন কোন স্ট্রেটিজির সূচনা করতে চাইলে আগে তা সময় নিয়ে সহজভাবে চিন্তা করুন, এনালাইসিস করে ঠিক করুন, ডেমোতে ফলাফল নিশ্চিত হউন। এবং সিদ্ধান্ত নিন।
১০। একটি পেয়ারে ট্রেড করুন।
অনেকগুলো ট্রেড একসঙ্গে শুরু করে নিজের রিস্ক লেভেল এবং মাথায় অতিরিক্ত চাপ নিবেন না। তাই শুধুমাত্র একটি পেয়ার পছন্দ করুন ট্রেডিং আর জন্য। অনেক গুলো কারেন্সিই একসাথে ট্রেডের উপযোগী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ঐ কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করুন যার সম্পর্কে আপনার ধারনা ভাল। একসাথে যদি ৪-৫টি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করেন তাহলে আপনি ভালভাবে কোন পেয়ারের ক্যারেক্টার বুঝতে পারবেন না। এবং মিসগাইড হয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রেড লস করবেন।
১১। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড করুন।
একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড প্রাকটিস করবেন , কারন সিঙ্গেল টাইমফ্রেমে ট্রেডের অনেকগুলো সুবিধা আছে যেমন, একক টাইমফ্রেমে ট্রেডিং এ আপনি পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন যেখানে অনেকগুলো টাইমফ্রেম আপনাকে কিছুটা হলে কনফিউসড করতে পারে। একটি টাইমফ্রেম আপনাকে এনালাইসিসে ও হেল্প করবে প্রপার ডিসিশন নিতে, কারন একই চার্ট ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ভিন্ন ভিন্ন এনালাইসিস আর সূচনা করবে, তাই বিশেষ করে নতুনদের জন্য একটি টাইমফ্রেমে ট্রেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।
১২। ট্রেডিং চার্ট পরিষ্কার রাখুন।
অনেক নতুন ট্রেডাররা মনে করে চার্টে যত বেশি ইনডিকেটর রাখা যায় তত ভালো, আসলে বিষয়টা এমন নয়, চার্টে ২-৩টির বেশি ইন্ডিকেটর রেখে চার্টকে এলোমেলো করে ট্রেডিং করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং অনেকগুলো ইনডিকেটর আপনাকে মিসগাইড করবে, আপনি ডিসিশন নিতে পারবেন না, তাই ২-৩ টি ইন্ডিকেটর আর ক্যারেক্টার বুঝে অভিজ্ঞতার আলোকে ফাইনাল করুন। মুলত ট্রেডে ইন্ডিকেটর ব্যবহার আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, এটা শুধুমাত্র ব্যবহার হয় আপনার ট্রেডিং ডিসিশনকে স্মুথ করার জন্য। কারন অনেক অনেক ট্রেডার আছে যারা কোন ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করেই ট্রেডিং সাকসেস রেইট ৮০% এ ট্রেড করছে। আপনাকে বলছি না যে আপনি সব ইন্ডিকেটর রিমুভ করে ট্রেড করুন, ভালো ট্রেডার হতে হলে প্রথম পর্যায়ে আপনাকেও ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। ভালো ট্রেডিং আর জন্য সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লাইন গুলো ভালোভাবে বুঝুন।

ইসলামিক দৃষ্টিতে ফরেক্স কি হালাল !!!!!!!!!!!!!!!!

ফরেক্স ট্রেডিং হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা কেনা বেচা। সেসব দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক কর্তৃক তাদের মুদ্রার একটা ইন্টারেস্ট রেট থাকে। আপনি ফরেক্স ট্রেড করলে সেই ইন্টারেস্ট রেট আপনার বেলায়ও প্রযোজ্য হবে। এই ইন্টারেস্ট মুসলিমদের জন্য হারাম। এই ঝামেলা দূর করার জন্য প্রায় সব ব্রোকার আজকাল ইন্টারেস্ট ফ্রি একাউন্ট / ইসলামিক একাউন্ট / মুসলিম ফ্রেন্ডলি একাউন্ট সাপোর্ট করে যেখানে ঐ ইন্টারেস্ট হিসাব হয় না। তাহলে সেন্ট্রাল ব্যাংক ইন্টারেস্ট যেটা হারাম সেটা থেকে আমরা মুক্ত।
এরপর আসি লেভারেজ এর ব্যাপারে। লেভারেজ হচ্ছে ব্রোকার আপনাকে ট্রেড করার জন্য বিভিন্ন অনুপাতে সুদবিহীন এবং শর্তব্যাতীত ধার দিবে। যদি ব্রোকার ধার দেয়ার সময় কোন সুদ / শর্ত দিত তাহলে সেটা হারামের পর্যায়ে পড়ত। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটেও ১:২ অনুপাতে লোন দেয়া হয়।
এখন আসি প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে। ফরেক্স এ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা কেনাবেচা করা হয়। এরকম একদেশের মুদ্রা অন্যদেশের মুদ্রার সাথে কেনা বেচায় হারাম কিছু নেই। আপনি আমেরিকা যেতে চাইলে আপনাকে বাংলাদেশী টাকা চেঞ্জ করে মার্কিন ডলার নিতে হবে। ধরুন আপনি আমেরিকা যাবেন। ভিসা টিকেট খাবার খরচ বাদে আপনি এক্সট্রা দশ হাজার মার্কিন ডলার নিলেন হাতখরচের জন্য। ধরি এই পরিমাণ ডলার নিতে আপনার খরচ হয়েছে ৭০.০০ টাকা করে ৭ লক্ষ টাকা। এরপর আমেরিকা গিয়ে আপনাকে জরুরী কাজে পরদিনই চলে আসতে হল। কিছু কিনতে পারলেন না। দেশে এসে দশ হাজার ডলার গুলো ভাঙিয়ে বাংলাদেশী টাকা নিতে গেলেন। দেখলেন আজকের রেট ৭০.১০ টাকা। আপনি পেলেন ৭ লক্ষ দশ হাজার টাকা। এখানে আপনি ১০ হাজার টাকা এক্সট্রা পেলেন। কিন্তু যদি আজকের রেট ৬৯.৯০ থাকত তবে আপনি পেতেন ৬ লক্ষ ৯০ হাজার মানে আপনার ১০ হাজার টাকা লস হত। এখানে হালাল হারাম প্রশ্ন অবান্তর।
ফরেক্সে এক মুদ্রার বিপরীতে অন্য মুদ্রা ক্রয় বিক্রয় হয় তাই এতে হারাম কিছু নেই। যদি ডলারের বিপরীতে ডলার কিংবা ইউরোর বিপরীতে ইউরো কেনাবেচা হত তবে হারাম হত কারণ ১ ডলার এর ভ্যালু সবসময় ১ ডলার, কেউ যদি ১ ডলার কে ২ ডলার দিয়ে কিনে সেটা সুদ হবে।
এই প্রসংগে একটা বিখ্যাত হাদীস আছে -
কোটেশন
From 'Ubada ibn al-Samit: The Prophet, peace be on him, said: "Gold for gold, silver for silver, wheat for wheat, barley for barley dates for dates, and salt for salt - like for like, equal for equal, and hand-to-hand; if the commodities differ, then you may sell as you wish, provided that the exchange is hand-to-hand." (Muslim, Kitab al-Musaqat, Bab al-sarfi wa bay'i al-dhahabi bi al-waraqi naqdan; also in Tirmidhi).
গোল্ড এর বিনিময়ে গোল্ড কেনা যাবে না বা সিলভারের বিনিময়ে সিলভার। যদি এর ব্যতিক্রম হয় তবে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে কেনাবেচা করা যাবে। শুধুমাত্র মনে রাখতে হবে এক্সচেঞ্জ হতে হবে হ্যান্ড টু হ্যান্ড । যদি দেরী হয় তবে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এখন ফরেক্স ট্রেড মানে স্পট ফরেক্স ট্রেড। এখানে আপনি বর্তমান প্রাইসেই কেনা বেচা করতে পারবেন, তাই এখানে দেরী হওয়ার চান্স নেই।
হ্যান্ড টু হ্যান্ড কথাটা নিয়ে অনেকে বিতর্ক তুলতে পারে। যেমন আমরা যদি মুদ্রা কেনাবেচা করি তবে আমাদের হাতে হাতে মুদ্রা নিয়ে ঘুরতে হবে এবং কেনাবেচা করতে হবে। এটা অমূলক। ইন্টারনেটের যুগে ঘরে বসে লেনদেন সহজ হয়ে যাওয়ার ফলে কোন কিছু কিনতে বা বিক্রি করতে ঐ প্রোডাক্ট নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে হয় না। এই যুগে হাতে না রেখে আমরা একাউন্ট খুলে রাখি। ব্যাংকে একাউন্ট / শেয়ার মার্কেটে একাউন্ট এরকম। ব্যাংকে আপনি কাউকে চেক দিলে ব্যাংক কি করে? আপনার একাউন্ট থেকে টাকাটা ঐ ব্যক্তির একাউন্টে ট্রান্সফার করে দেয়। শেয়ার মার্কেটেও এরকম। সেলারের একাউন্ট থেকে শেয়ার গুলো বায়ার এর একাউন্টে ট্রান্সফার করে দেয়। এরকম ফরেক্সেও একই। আরেকজনের একাউন্ট থেকে আপনার একাউন্টে টান্সফার করে দেয়। এটাকে একাউন্ট টু একাউন্ট ট্রান্সফার বলা যায়।
একনজরে দেখি ফরেক্সে কি ঘটে -
১. আপনি দেখলেন ইউরো / ইউএসডি দাম ১.৪০০০। আপনি এনালাইসিস করে দেখলেন ইউরো বাড়ার সম্ভাবনা প্রচুর,
আপনি কিছু ইউরো / ইউএসডি কিনবেন বলে মনস্থির করলেন।
২. আপনি একটা ব্রোকার সিলেক্ট করলেন যে আপনার হয়ে কোন সেলার থেকে ইউরো /ইউএসডি কিনে দিবে। ঐ ব্রোকারে
আপনি একটা ইসলামিক একাউন্ট খুললেন।
৩. ঐ ব্রোকার আপনাকে একটা প্রাইস দিল যে এখন ইউরো / ইউরো ইউএসডি ১.৪০৫০ রেটে আছে। আপনি ঠিক করলেন
এই রেটেই কিনবেন। আপনি BUY এ ক্লিক করলেন
৪. আপনার বাই অর্ডার ব্রোকার রিসিভ করল এবং সাথে সাথে ১.৪০৫০ রেটে আপনার জন্য ইউরো / ইউএসডি কিনে আপনার জন্য নির্দিষ্ট একাউন্টে রেখে দিল।
৫. এরপর কিছুদিন পর ইউরো ইউএসডি দাম বাড়ল এবং আপনি সেল করে দিলেন।
এখানে আপনি হারাম কিছু করেন নি। ইউএসডির বিপরীতে ইউরো কিনেছেন, ইন্টারেস্ট ফ্রি ইসলামিক একাউন্টে ট্রেড করছেন এবং আপনার অর্ডার হ্যান্ড টু হ্যান্ড ট্রান্সফার হয়েছে (সেলারের একাউন্ট থেকে আপনার একাউন্টে) ।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
সংগ্রহীত

Thursday, July 28, 2016



মার্কেট ট্রেন্ড, ট্রেন্ড লাইন, ট্রেন্ডের গুরুত্ব

মার্কেট ট্রেন্ড, ট্রেন্ড লাইন, ট্রেন্ডের গুরুত্ব।
**************************
ট্রেন্ড ইজ ইউর ফ্রেন্ড এটা আমরা সবাই জানি। মার্কেট ট্রেন্ড ফলো না করার কারণেই শত শত নতুন ট্রেডারের একাউন্ট জিরো হয়। তাই আসুন আজকে এটা নিয়ে কিছু আলোচনা করি।
ট্রেন্ড কি?
******
আমরা ভাল করেই জানি যে ফরেক্স এ আমরা দুটি মূদ্রাজোড়া Currency Pair ব্যবহার করি। যেমন EUR/USD, এখানে দুইটি পেয়ারে দুইটি দেশের অর্থনীতি দেশের অবস্থা এগুলার কারণে মুদ্রা শক্তিশালী বা দূর্বল হয়। একটা বাস্তব কথা হল কোন দেশের ফান্ডামেন্টাল নিউজেই কিন্তু সে দেশের মূদ্রাকে দূর্বল বা শক্তিশালী করে থাকে। কোন কোন ফান্ডামেন্টাল নিউজের স্থায়িত্ব ঘন্টা থেকে একদিন কার্যকর থাকে। আর কোন নিউজ মাসের পর মাসও তাতে প্রভাব ফেলতে পারে।
কিন্তু ফান্ডামেন্টাল নিউজের কারণে একদিনেই মার্কেট কিন্তু আপ বা ডাউন হয়ে যায়না। অনেক সময় দেখা গেল একটি নিউজের ইমপ্যাক্ট ২-৩ দিন পর থেকে শুরু হয়ে মাসব্যাপী চলতেছে। এই যে মার্কেট আপ বা ডাউনে যাচ্ছে এটা কিন্তু টেকনিক্যালিই যায়। মুভমেন্টটা হচ্ছে ফান্ডামেন্টালী কিন্তু সেটা টেকনিক্যাল ওয়েতেই যাবে। তাই যারা এক্সপার্ট এবং সফল ট্রেডার তারা কিন্তু ফান্ডামেন্টাল নিউজের সাথে সাথে টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলাও কিন্তু মেনে চলেন। মার্কেটে যখন একটা ট্রেন্ড শুরু হয় তখন সেটা চলতেই থাকে। একসময় ট্রেন্ডটা দূর্বল হয়ে এবার রিভার্সাল মুভ শুরু করে।
একজন সফল ট্রেডার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই মার্কেট ট্রেন্ড বুঝতে হবে। কারণ ট্রেন্ড এর বিপরীতে আপনি কখনো টিকে থাকতে পারবেননা। ট্রেন্ডের সাথেই আপনাকে থাকতে হবে।
ট্রেন্ড ৩ প্রকার:
১. আপট্রেন্ড 
২. ডাউনট্রেন্ড 
৩. সাইডওয়ে ট্রেন্ড 
মার্কেট এর উর্দ্ধমুখি চলাটাকে Uptrend বলে। মার্কেট নিম্মমুখি চলাটাকে ডাউনট্রেন্ড বলে। আর মার্কেট একটা নির্দিষ্ট জায়গায় রেঞ্জ করলে সেটাকে সাইডওয়ে ট্রেন্ড বলে।
১. আপট্রেন্ড: দুটি বা তিনটি সাপোর্ট কে যখন লাইন টেনে নিলে উপরের দিকে নির্দেশনা পাওয়া যায় তখন বুঝতে হবে মার্কেট আপট্রেন্ডে আছে। তিনটি সাপোর্ট একসাথে মিললেই আপট্রেন্ডের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।
২. ডাউনট্রেন্ড: দুটি বা তিনটি রেজিস্টান্সকে কে যখন লাইন টেনে নিলে নিচের দিকে নির্দেশনা পাওয়া যায় তখন বুঝতে হবে মার্কেট ডাউনট্রেন্ডে আছে। তিনটি রেজিস্টান্স লেভেল একসাথে মিললেই ডাউনট্রেন্ডের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।
৩. সাইডওয়ে ট্রেন্ড আসলে কোন ট্রেন্ড না। মার্কেট একটা নির্দিষ্ট পিপের মধ্যে ঘুরাঘুরি করলেই সেটা সাইডওয়ে মার্কেট বলে। এটা স্কাল্পারদের প্রচুর প্রফিট করতে সাহায্য করে।
আমার উপরের চিত্রটা লক্ষ করলেই বুঝবেন কিভাবে ট্রেন্ড আঁকতে হয়। সিস্টেম মত ট্রেন্ড আঁকবেন। নিজের মন মত জোর করে ট্রেন্ড আঁকলে কোন ফলই হবেনা। খাড়া উপরের দিকে বা নিচের দিকে স্পাইকগুলা কোন ট্রেন্ড নির্দেশনা দেয়না। ট্রেন্ড এ নিউজ স্পাইকের কোন গুরুত্ব নেই। তাই ট্রেন্ড লাইন আকার সময় নিজউ ইফেক্ট এর লম্বা লম্বা বাঁশ এর মত স্পাইকগুলা ধরার দরকার নেই। এগুলা কোন ট্রেন্ডের অংশনা এগুলা ট্রেডারদের বাঁশ দেয়ার ক্যান্ডেল। গতকালই দেখছেন আশা করি এমন কিছু বাঁশ। খেয়েছেনও ও অনেকে।
তো আমি কিভাবে ট্রেন্ডের সুবিধা গ্রহণ করব?
*****************************
যারা বুদ্ধিমান তারা ট্রেন্ড থেকেই কিন্তু প্রফিট নেয় ট্রেন্ডের সাথে থেকেই। আপট্রেন্ডে বাই ছাড়া কখনো সেল দিবেনা তারা। ডাউনট্রেন্ডে সেল ছাড়া বাই কখনো দিবেনা তারা। আর স্কাল্পাররা ছাড়া লংটার্ম ট্রেডাররা কখনো সাইডওয়েতে ট্রেড পছন্দ করেননা।
ট্রেন্ড খুজতে হলে আপনাকে অবশ্যই হায়ার টাইমফ্রেমেই খুজতে হবে। লোয়ার টাইমফ্রেমে আপনি ট্রেন্ড এর কনফার্মেশন পাবেননা।
এখন আসেন ট্রেন্ড এ এন্ট্রি কিভাবে নিবেন? হা সেটা কিন্তু আসলে আপনাকে টেকনিক্যালিই বুঝত হবে। নরমালি আপট্রেন্ডে সাপোর্ট থেকেই এন্ট্রি নেয়া হয়। আর ডাউনট্রেন্ডে রেজিস্টান্স থেকেই এন্ট্রি নেয়া হয়। তার সাথে আপনাকে সাপোট রেজিস্টান্স পিভট, ফিবোনাক্কি রিট্রেসমেন্ট এগুলা অবশ্যই বুঝতে হবে।
আমাদের অনেকেরই একটা অভ্যাস আছে যে মার্কেট কিছুটা আপ হলেই সেল দিয়ে দেই। আর কিছুটা ডাউন হলেই বাই দিয়ে দেই। এটা কিন্তু ট্রেন্ডি মার্কেটে বিপদজনক যদি আপনার এন্ট্রিটা বিপরীতে পড়ে যায়। আপট্রেন্ডে কখনো সেল দেয়ার চেষ্টা করবেননা। ডাউনট্রেন্ডে কখনো বাই দেয়ার চেষ্টা করবেননা।
ট্রেন্ড লাইন ব্রেকআপ
*************
একটা ট্রেন্ড কিন্তু একসময় তার শক্তি হারিয়ে দূর্বল হয়ে যায়। তখন সে রিভার্স শুরু করে। তাই ট্রেন্ড এর শেষ দিকে আর ট্রেডে না থাকাই ভাল। ট্রেন্ড কখন রিভার্স করবে সেটা বলা মুশকিল। কারণ মার্কেট আগামী ৫ মিনিট পর কই যাবে এটাতো আমরা কেউই বলতে পারিনা। সেটা সম্ভবও না।
তাই অনেকে অনেক সিস্টেম এপ্লাই করে কিছু কনফার্মেশন পেয়ে সেটা বুঝে যায়।
মনে করেন মার্কেট একটা নির্দিষ্ট গতিতে চলার পর তার ট্রেন্ড লাইনে এসে স্থির হয়ে আছে এখন দুটি ব্যাপার ঘটতে পারে এটা আবার তার নির্দিষ্ট ট্রেন্ড এ চলা শুরু করতে পারে অথবা পুলব্যাক করতে পারে। এখানে দুটিরই সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে আপনাকে হিস্টোরী দেখে জাষ্টিফাই করতে হবে এটা কোন আগের স্ট্রং সাপোর্ট বা রেজিস্টান্স এ আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে সেটা ব্রেক করার সম্ভাবনাই বেশি। হয়ত ট্রেন্ড শেষ হয়ে এবার রিভার্সাল শুরু হতে যাচ্ছে। সুতরাং এই জায়গায় সতর্কতা অনেক দরকার।
একটা কথা মনে রাখবেন ফরেক্স এ নিজের একটা সিস্টেম বানাতেই হবে। সেটাকে দিন দিন ডেভেলপ করতেই। শুধু ট্রেন্ডলাইন আর সাপোর্ট রেজিস্টান্স দিয়ে একটি সফল সিস্টেম বানাতে পারেন।
নতুন যারা মার্কেটে আসে তারা শিখতে চায়না। তারা এটা বুঝেনা যে এই মার্কেট এর শিখার কোন বিকল্প নেই। আমাদের প্রথম অবস্থায় বাংলাভাষায় কোন সুযোগইতো ছিলনা শেখার। বর্তমানে কতসাইট আছে বাংলায়। অনেক ট্রেডারই তাদের ট্রেডিং নলেজ শেয়ার করছে। মানুষের মনমানসিকতা দিন দিন উদার হচ্ছে। আমরা জানার অভাবে লস করেছি। লস করে শিখেছি। আপনারা কেন লস করবেন এমন সুবর্ণ সময়ে?
জাস্ট সিম্পল একটা সিস্টেমে চলেন। নিত্য নতুন স্ট্রাটেজি আর সিস্টেম বানাবেননা। একটাকেই ডেভেলপ করেন। মানি ম্যানেজমেন্ট মানেন। সফল হবেনই।
আমি এগুলা আপনাদের উপকারের জন্য দিচ্ছিন। আমার নিজের উপকারের জন্যই। আমি এগুলা লিখি আর আমার জানার ক্ষেত্রটা আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। দিনের নির্দিষ্ট একটা সময় টার্মিনালের সামনে থাকেন। বাকি সময় শুধু স্টাডি করেন। অনলাইনে হাজার হাজার সাইট আছে। ইউটিউবে ভিডিও টিউটোরিয়াল এর অভাব নেই।
শুভকামণা রইল সবার জন্য। শুভ হোক ফরেক্স জীবন। সফলতায় ভরে উঠুক।

https://www.youtube.com/watch?time_continue=22&v=WPgB94yqChg

Comments

0 comments

টেকনিক্যাল না ফান্ডামেন্টাল? কোনটি দরকার? পর্ব-১



টেকনিক্যাল না ফান্ডামেন্টাল? কোনটি দরকার? পর্ব-১

প্রায় নতুন ফরেক্স ট্রেডার প্রশ্ন করে থাকে ভাইয়া টেকনিক্যাল এনালাইসিস গুরুত্বপূর্ণ নাকি ফান্ডামেন্টাল।
অতি কমন প্রশ্ন এটি। এর উত্তরটাও একটু কঠিন যাক উত্তরটা দেয়ার আগে আমরা ভাল করে বুঝে নেই ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিকাল এনালাইসিস সম্পর্কে। দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর উত্তর আপনিই পেয়ে যাবেন কোনটি গুরুত্বপূর্ণ । নাকি দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।
(আমি এখনো ফরেক্স শিখছি, যা শিখছি তাই শেয়ার করি। এগুলা এক্সপার্ট লেভেলদের জন্যনা। নতুনদের জন্য)
ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর সংজ্ঞা:
উইকিপিডিয়ার মতে: ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস হলো
Fundamental analysis of a business involves analyzing its financial statements and health, its management and competitive advantages, and its competitors and markets. When applied to futures and forex, it focuses on the overall state of the economy, interest rates, production, earnings, and management. When analyzing a stock, futures contract,
আর টেকনিক্যাল এনালাইসিস এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে:
In financetechnical analysis is a security analysis methodology for forecasting the direction of prices through the study of past market data, primarily price and volume
মোট কথা হল ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস হলো যেটি কোন দেশের ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে সে দেশের মূদ্রার পরবর্তী অবস্থান বুঝা যায়। একটি দেশের অর্থনীতি, ইন্টারেষ্ট রেট, উতপাদন, আয়, বেকারত্ব সহ অনেকগুলা বিষয়ের উপর সে দেশের অর্থনীতি নির্ভরশীল। একটি দেশের অর্থনীতির উত্থান-পতনের সাথে মুদ্রার ভ্যালু নির্ধারণ হয়ে থাকে। একজন ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসকারী মুলত দেশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের উপর সে দেশের মুদ্রার উঠা-নামা নির্ভর করে সেগুলা লক্ষ করে থাকে।
আর টেকনিক্যাল এনালাইসিস হলো মুলত কোন একটি কারেন্সীর পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে ভবিষ্যত অবস্থান খুজে বের করা। কারণ মার্কেটে একটি কথা সবাই জানে এখানে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে থাকে। মার্কেট পূর্ববর্তী সাপোর্ট রেজিস্টান্স, চ্যানেল ফলো করেই চলে। একজন ভাল টেকনিক্যাল এনালাইসিসকারী চার্ট বিশ্লেষণ করে ক্যান্ডেলের ফর্মেশন দেশে মাকের্টের অবস্থান বুঝতে পারে।
মুলত টেকনিক্যাল ট্রেডার এবং ফান্ডামেন্টাল ট্রেডারের পার্থক্য হলো
তো আশাকরি ফান্ডামেন্টাল এবং টেকনিক্যাল এনালাইসিস সম্পর্কে কিছু ধারণা হয়েছে।
মোটকথা ফান্ডামেন্টাল ট্রেডার দেশের অর্থনীতির উপর ফোকাস করে থাকে। এবং টেকনিক্যাল ট্রেডার চার্টের উপর।
একটি তরকারী রান্নাতে লবনের যেমন দরকার তেমনি তেলেরও দরকার। শুধু একটি দিয়ে কখনো পরিপূর্ণ হয়না। তাই একজন ট্রেডারকে দুটি বিষয়তেই নজর রাখতে হবে।
টেকনিক্যাল আপনাকে দেখাবে আগে কি হয়েছিল। তার উপর আপনি ভবিষ্যত কি হতে পারে সেটার একটি আইডিয়া করতে পারেন।
আর ফান্ডামেন্টাল আপনাকে আসলেই ভবিষ্যতে কি হবে সেটা সম্পর্কে আগাম ধারণা দিবে।
আমি সোজা কথায় এতটুকু বুঝি মার্কেটে মুভমেন্টটা হয় ফান্ডামেন্টাল কারণে। আর টেকনিক্যাল দিয়ে আমরা সেটাকে অনুসরণ করতে পারি।
টেকনিক্যালি আমরা কিভাবে এনালাইসিস করব?
মার্কেটে টেকনিক্যালি আমরা চার্ট দেখেই এনালাইসিস করে থাকে। মুলত আমরা ট্রেন্ড, সাপোর্ট-রেজিস্টান্স, পিভট, ফিবো রিট্রেসমেন্ট, মুভিং এভারেজ, চার্টপ্যাটার্ণ, ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্ণ, ইলিয়ট ওয়েভ, মার্কেট সাইকেল সহ অন্যান্য ব্যাপারগুলো দেখি।
তার জন্য আমাদের বিভিন্ন ইন্ডিকেটর বা অনেকে ইন্ডিকেটর ছাড়াই ন্যাকেড চার্টে প্রাইস একশন সেটাপ বুঝে এনালাইসিস করে থাকে।
ফান্ডামেন্টালি আমরা কিভাবে এনালাইসিস করব?
আসলে ফান্ডামেন্টাল এর ব্যাপারে আগেই বলেছি ফান্ডামেন্টাল মুলত একটি দেশের ইকোনমিক নিউজ এবং অর্থনৈতিক পলিসির কারণেই মার্কেট মুভমেন্ট সম্পর্কে এনালাইসিস করা হয়।
কারেন্সী মার্কেটের মুল মুভমেন্ট হয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের পলিসি এর উপরে। এক্ষেত্রে ইন্টারেষ্ট রেট, ইনফ্লেশন (মুদ্রাস্ফীতি), ট্রেড ব্যালেন্স, জিডিপি ইত্যাদি কন্ট্রোল করার জন্য সেন্ট্রাল ব্যাংক যেসব পলিসি নিয়ে থাকে তার কারণেই মার্কেটের বড় বড় মুভমেন্ট তৈরি হয়। মার্কেটে একটি ট্রেন্ড তৈরি হয় এবং ট্রেন্ড রিভার্স হয়।
আজকে এতটুকুই………….
পরবর্তী পর্বে টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল এর কম্বিনেশনে আমরা কিভাবে ট্রেড করব?
টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল যদি সাংঘর্ষিক হয় কি করণীয়?
এ নিয়ে বিস্তারিত লিখব।