Tuesday, July 19, 2016

ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজিঃ আপনারলসকে লাভে পরিনত করুন।

 http://dj-shuvo.mywapblog.com/post-title-168.xhtml

এই নিবন্ধটি বেশিরভাগই তাদের জন্য ওয়াজিব হবে যারা তাদের ট্রেডিং এ প্রথম পদক্ষেপ ফেলতে যাচ্ছেন এবং এখনো কি ট্রেডিং কৌশল চয়ন করবেন তার সিদ্ধান্ত নেন নি। কৌশল নিজেই ট্রেডার এর ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে – কেউ কেউ ছোট টাইম ফ্রেম পছন্দ করেন কেউ বড় পছন্দ করেন, কিছু উপকরণ ধীর গতিতে মুভ করে কিছু দ্রুত কোন কোন ট্রেডার সপ্তাহে ১-২ টি ট্রেড করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কেউ কেউ প্রতিদিনই কয়েক ডজন ট্রেড করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ইত্যাদি। ফরেক্স ট্রেডারদের মধ্যে বিভিন্ন প্রকৃতির ট্রেডার আছে। এক এক জনের ট্রেডের স্টাইল একেকরকম। কেউ কেউ অনেক বেশি ট্রেড করতে কিন্তু কম প্রফিট এ সন্তুষ্ট থাকেন। কেউ অল্প ট্রেড করে অনেক বেশি প্রফিট এর আশা করেন। কেউ সারাদিন চার্টের সামনে বসে থাকে। হাত খালি হাত চুলকায় এবং সুযোগ খুজে ট্রেড করার জন্য। আর কিছু ট্রেডার আছে ঝোপ বুঝে কোপ মারে। কেউ আবার শনি – রবিবার অস্বস্তিতে থাকে। রাতে ঘুমালেও টার্মিনাল চার্ট স্বপ্নে দেখা। আর ফেসবুকে স্টাটাস দেয়া ইসস কেন যে সপ্তাহে ৭ দিনই মার্কেট খোলা থাকেনা। দুনিয়াদারী ভুলে যায় ফরেক্স এর নেশায়। আজকে কিছু জনপ্রিয় ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি নিয়ে আলোচনা করব। ১. ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজিঃ স্কাল্পিং ফরেক্স এ এরকম বিভিন্ন প্রজাতির ট্রেডারদের কয়েকটি নামে ভাগ করা হয়েছে। ১. স্কাল্পার ২. ডে ট্রেডার ৩. সুইং ট্রেডার ৪. পজিশনাল ট্রেডার আজকে আমরা স্কাল্পিং এবং স্কাল্পার ট্রেডারদের নিয়ে আলোচনা করবো। ফরেক্স ট্রেডে স্কাল্পিং বলা হয় মুলত এমন একটি ট্রেডিং স্ট্রাটেজিকে যেখানে ট্রেডার কোন একটা কারেন্সি পেয়ার বাই বা সেল করে কিন্তু সেটাকে খুবই শর্টটাইম ধরে রাখে হতে পারে তাদের ট্রেডের স্থায়িত্ব কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েন মিনিট বা সর্বোচ্চ ঘন্টা। তাই প্রফিট ও হয় খুবই কম। কিন্তু ট্রেড এর সংখ্যা হয় অনেক বেশি। স্কাল্পারের মধ্যে আবার কয়েকধরণ আছে কিছু স্কাল্পার প্রতিটি ট্রেডে টেকপ্রফিট এবং স্টপলস ব্যবহার করে। আবার কিছু ট্রেডার কোনটাই ব্যবহার করেনা। আর বেশিরভাগ ট্রেডারের টাইমফ্রেম হয় ১ মিনিট,৫ মিনিট বা ১৫ মিনিট। এই শর্টটাইম ফ্রেমেই তারা সাপোর্ট রেজিস্টান্স বের করে আবার অনেক অনেক ইনডিকেটর এবং ট্রেডিং কৌশল ও ব্যাবহার করে ট্রেড করে থাকে। শর্ট টার্ম ট্রেডিং এ সফলতা যে কোন নতুন ট্রেডারদের সপ্ন। তারা দিন রাত ১-৫ মিনিট চার্ট এ কাটিয়ে দেয়। কিন্তু এইটা বুঝা জরুরী যে লোয়ার টাইম ফ্রেম এর একটি ট্রেন্ড হয়তবা হাইয়ার টাইম ফ্রেম চার্টের মূল ট্রেন্ড এর ছোট একটি রিট্রেসমেন্ট। এই জন্য একজন সফল শর্ট টার্ম ট্রেডার হতে হলে হাইয়ার টাইম ফ্রেম বুঝা জরুরী। টাইম ফ্রেম এনালিসিস আগে শিখতে হবে এবং অভার অল মার্কেট ট্রেড ভাল ভাবে বুজতে হবে। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ২. ফরেক্স ট্রেডিং জার্নাল আত্ন-প্রশিক্ষণ ফরেক্স ট্রেডিং শেখার জন্য একটি কার্যকরী এবং হিসাবী উপায় হতে পারে। এটা করতে হলে আপনাকে আপনার রেজাল্ট রেকর্ড করা এবং বিশ্লেষণ করা জানতে হবে; তারপর, আপনার পারফরম্যান্স এ উন্নতি করার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। আপনার নিজের ট্রেডিং জার্নাল ই হবে আপনার ট্রেডিং কৌশল। আরও স্পষ্ট করে বললে, আত্ন-প্রশিক্ষণ পদ্ধতি খুবই সহজ এবং এর জন্য প্রায় কিছু লাগে না বললেই চলে; শুধুমাত্র এই তিনটি জিনিস দরকারঃ ১) একটি ট্রেডিং জার্নাল ২) অনেক বেশি আত্ন- উপলব্ধি (বা প্রতিফলন) এবং নিজের প্রতি নিজে সৎ থাকা, এবং ৩) সব লিখে ফেলা । চার্ট স্ক্রিনশট দিয়ে আপনার ট্রেডিং এর এন্ট্রি এবং এক্সিট মার্ক করলে এ পদ্ধতিটি আরও বেশি কাজে দিবে; একইসাথে আপনার ট্রেডিং ডাটার একটি স্প্রেডশিট রেকর্ড থাকল। কিন্তু যদি আপনার প্রতিটি খুঁটিনাটির দিকেও খুব কড়া নজর থাকে এবং আপনি ভাল লিখতে পারেন, তাহলে আপনার কাজের অগ্রগতি একটি সহজ লিখিত ট্রেডিং জার্নালের মাধ্যমেও রেকর্ড রাখতে পারেন। মূল আত্ন-প্রশিক্ষণ পদ্ধতি একজন কোচ যা করেন ঠিক সেরকমই হয়ে থাকেঃ ১) প্রতিটি জিনিস নজর রাখুন এবং রেকর্ড করুনঃ এখানে আপনার চেষ্টা, পরিকল্পনা, কোন ভুল, এবং আপনার নিজের এবং মার্কেট এর আচরণের যে কোন কিছু যেটা উল্লেখ হওয়া দরকার বলে মনে হয়, সেগুলো তেমনভাবেই উল্লেখ করতে হবে। মনে রাখবেন, যে জিনিস পরিমাপ করা হয় না, সেটা ঠিক করা বা সেক্ষেত্রে উন্নতি ঘটানোও যায় না। ২) ফরেক্স ট্রেডিং নলেজ এবং দক্ষতা যেটা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে সেটা দিয়ে আপনার অবজারভেশন রিভিউ করুন এবং কিভাবে আপনি আরও ভাল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বা ট্রেডিং পদ্ধতির উন্নতি ঘটাতে পারেন সেটা নির্ধারণ করুন। আবার, ট্রেডিং কনসেপ্ট বেশ সহজ; এতে উন্নতি করা এবং ভুল এড়াতে কমনসেন্স এর প্রয়োজন হয়। কিন্তু আপনার নিজেকে অনেক প্রস্ন করতে হবে। শুধুমাত্র উইনিং ট্রেড এর দিকে তাকিয়ে এটা ভাববেন না, ‘আমার আরও বেশি লাভ করা উচিত ছিল’। কিভাবে উন্নতি করা যায় এটা খুঁজে পেতে নিজেকে প্রশ্ন করুন ( যেমন, আমার টার্গেট কি যথার্থ ছিল? এই পরিস্থিতিতে কি আমার ট্রেডিং করা উচিত ছিল? এই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কি আমার ট্রেডিং করা ঠিক হয়েছে? ) এবং আপনার যদি সত্যি-ই সাহায্যের দরকার হয়, তাহলে অন্যদের আপনার জার্নাল দেখান, যাতে তারা তাদের ফিডব্যাক দিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ৩. ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজিঃ ব্রেকআউট এর মধ্যে ব্রেকআউট ট্রেডিং মিডনাইট সেটআপ এডিশনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি বর্তমান ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি টি আসল মিডনাইট সেটআপ কৌশল এর একটি অতিরিক্ত সংযোজন, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ আলাদাভাবে বা অন্য কোন ফরেক্স কৌশল এর সাথে মিলিয়ে ব্যবহার করা যায়। এই ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি টির আসল ব্যপারটা হল ডেইলি ক্যান্ডল এর ফলস ব্রেক আউট এর কিছু বড় অংশগুলো দূর করে ফেলা। সাধারনত মিডনাইট সেট আপ এর কৌশল এর নিয়ম মেনে আমরা ডেইলি ক্যান্ডল এর হাই অথবা লো এর ব্রেক এ এন্ট্রি দেয়ার জন্য তৈরি থাকি। যাই হোক, এবার ডেইলি ক্যান্ডল এর উপরে বা নিচে বাই অথবা সেল স্টপ অর্ডার দেয়ার বদলে আমরা বরং প্রকৃত ব্রেক আউট এর জন্য অপেক্ষা করে থাকি। যখন প্রথম ব্রেক আউট ঘটে তখন সেটা ঐ সময়েই জানার জন্য ট্রেডিং প্লাটফর্ম এ একটি এলারট সিগন্যাল (সতর্ক- বার্তা) দিয়ে রাখাটা বুদ্ধিমানের কাজ। কোন ডেইলি চার্ট এর ব্রেক আউট এর সাথে সাথে আমরা ৫ মিনিট এর চার্ট এ চলে যাব, যেখানে আমরা প্রাইস এর প্রথম ধাক্কা দেয়ার পর সেটার ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকব। ৫ মিনিট এর চার্টে আমরা প্রাইস এর একেবারে প্রথম এক্সট্রিম লেভেল (সবচেয়ে উঁচু বা নিচু পয়েন্ট) চিহ্নিত করি এবং সেই লেভেল এর ১০ পিপ উপরে এবং নিচে বাই স্টপ এবং সেল স্টপ অর্ডার প্লেস করি। এভাবে প্রাইস যদি তার ডিরেকশনাল এর আচরণ এর ব্যপারে নিশ্চিত করে তাহলে আমরা অর্ডার প্লেস করি… অন্যথায় এটা ফলস ব্রেক আউট ছিল! বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ৪. বাস্তবসম্মত এবং কার্যকর মানি ম্যানেজমেন্ট প্রক্রিয়া মানি ম্যানেজমেন্ট প্রক্রিয়াঃ ১ম নিয়মঃ অ্যাকাউন্ট ব্যাল্যান্স এর ২% এর চেয়ে বেশি ঝুঁকি নিবেন না। ২য় নিয়মঃ স্টপ লস সেট করতে স্বাভাবিক সাপোর্ট/ রেজিস্তেন্স ব্যবহার করুন এবং ৩য় নিয়মঃ লট সাইজ হিসাব করতে বর্তমান মূল্য এবং প্রস্তাবিত স্টপ লস এর মধ্যকার রেঞ্জ ব্যবহার করুন। মানি ম্যানেজমেন্ট এর আদর্শ নিয়ম হল “কখনও এক ট্রেড এ মোট অ্যাকাউন্ট এর ২% এর বেশি ঝুঁকি নিবেন না”। এই পরিমাণটা হল যেটা আপনি হারাতে পারেন (যেটা ট্রেড করে পেতে পারেন সেটা নয়)। আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট ফান্ড এর ৫%, ১০%, এমনকি ২০% ও ট্রেড করতে পারেন, কিন্তু স্টপ লস অবশ্যই আপনার অ্যাকাউন্ট এর ২% এর বেশি হওয়া যাবে না। স্টপ লস দূরত্ব (পিপ) এবং ২% ঝুঁকি পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি লট সাইজ হিসাব করতে পারেন, যেটা দিয়ে ২% এর বেশি ঝুঁকি না নিয়ে ট্রেড করা যাবে(যদি ট্রেড স্টপ লস এ হিট করে)। এই গণনায় সবচেয়ে বড় ব্যপার হল স্টপ লস। স্টপ লস সেট করাঃ সাপোর্ট এবং রেজিস্তেন্স নির্ধারণ করা যায় এমন যে কোন ইনডিকেটর ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি সাপোর্ট বা রেজিস্তেন্স লেভেল এর লাইন, মুভিং এভারেজ, প্যারাবলিক সার ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন। প্রাইস চার্ট এর পরিষ্কার রেফারেন্স পয়েন্ট পাওয়ার জন্য আপনি এটা ব্যবহার করতে পারেন। তবে, এর মধ্যে মুভিং এভারেজ বা প্যারাবলিক সার বেশি ভাল কাজে দিতে পারে। কারণ, এ দুটো প্রাইস এর সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুভ করে এবং নিয়মিতভাবে ট্রেইলিং স্টপ সেট করতে সহায়ক পয়েন্ট সরবরাহ করে। উদাহরণস্বরূপ, এখানে প্যারাবলিক সার ব্যবহার করা হচ্ছে। স্টপ লস রেন্স গণনা করুনঃ লং পজিশন বা বাই এর জন্য প্যারাবলিক সার এবং বর্তমান মুল্যের মধ্যকার পিপ নির্ধারণ করতে বর্তমান মুল্য হতে প্যারাবলিক সার বিয়োগ করুন। এটাই আপনার স্টপ লস রেঞ্জ। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ৫. সুইং ট্রেড এর ক্ষেত্রে GBP/USD এর একটি কার্যকরী স্ট্রাটেজি GBP/USD এর একটি কার্যকরী স্ট্রাটেজিঃ সুইং ট্রেডিং এর জন্য বেশ কার্যকরী একটি স্ট্রাটেজি আজ আলোচনা করা হবে। এই স্ট্রাটেজি বা পদ্ধতিতে মাসে গড়ে ৩০০-৪০০ পিপ আয় করা যায়। আপনার যেসব জিনিস দরকারটা হলঃ ১) জিবিপি /ইউএসডি এর ডেইলি চার্ট ২) জিবিপি /ইউএসডি এর ৪ ঘণ্টার চার্ট ৩) উভয় চার্টেই ধীর গতির স্টকেসটীক (১৩,৫,৫) ৪) ৪ ঘণ্টার চার্টে EMA 4, EMA 13, EMA 50 প্রয়োগ এবার ৪ ঘণ্টার চার্টের দিকে খেয়াল করুন বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ৬. অ্যাডভান্সড ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি – (৪ ক্যান্ডল বিষয়ক পরিকল্পনা) অ্যাডভান্সড ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি – মুদ্রার জোড়া – (GBP/JPY) চার ক্যান্ডল বিষয়ক পদ্ধতিঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ১. এই ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি তে দিনের প্রথম চার ক্যান্ডলের সবচেয়ে উঁচু এবং নিচু রেখা বরাবর আনুভূমিক লাইন টানুন। ২. লাইনগুলোর বৈধ ব্রেক আউট এ ট্রেড করুন। ৩. ৪ ঘণ্টার টাইম ফ্রেম এ স্টকেসটীক স্লো চেক করুন। ৪. উচ্চতর পরিমাণের ৪ ঘণ্টার স্টকের অভিমুখে ট্রেড করুন। ৫. নিম্নতর পরিমাণের ৪ ঘণ্টার স্টকের বিপরীতে ট্রেড করুন। ৬. প্রথম ৫০-১০০ পিপ টার্গেট করুন। ৭. টানেল এর অপর সাইড এ স্টপ লস সেট করুন। ৮. আপনার স্টপ লস হিট করে ফেললে পুনরায় পেন্দিং (pending) অর্ডার সেট করুন। ৯. দিন শেষ হওয়ার ৫ ঘণ্টা আগে সব পেন্দিং (pending) অর্ডার বন্ধ করে ফেলুন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ৭. ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি – ব্রেক আউট সিস্টেম এক্সট্রিম (BSX) ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি – ( X- treme) (BSX) কনসেপ্ট বা ধারণাঃ ফরেক্স ট্রেডিং এর খুব কম জিনিসের ব্যাপারেই আমরা নিশ্চিত হতে পারি, তাই, আমাদের উচ্চ- সম্ভাবনাময় সেটআপের সুবিধা নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, একটা লম্বা সময়ের কনসলিডেশনের পর সাধারণত কি ঘটে? হ্যাঁ, আপনি ঠিকই ধরেছেন- ব্রেক আউট। একটা লম্বা সময় ধরে একটি রেঞ্জ এর মধ্যে ট্রেডিং করার পর প্রাইস যখন ব্রেক আউট করে তখন আমরা একটি শক্তিশালী মুভমেন্ট এর আশা করতে পারি। রেঞ্জ যত চাপা বা ন্যারো(সরু) থাকবে, ব্রেক আউট তত শক্তিশালী হবে। আবার, যত বেশি কনসলিডেশন পিরিয়ড বড় হবে, ব্রেক আউট ও তত শক্তিশালী হবে। তাই, আমি ব্রেক আউট সিস্টেম এক্সট্রিম (BSX) কে বেশ কার্যকরী একটি সিস্টেম হিসেবে আবিষ্কার করেছি। বিএসএক্স (BSX) ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি হচ্ছে ইনসাইড- ডে ব্রেক আউট স্ট্র্যাটেজির চেয়ে একটু ভিন্নরকম। যারা ইনসাইড-ডে ব্রেক আউট স্ট্র্যাটেজির সাথে পরিচিত নন, তাদের জন্য বলছি, এটা ব্রেক আউট ট্রেড স্পট করার জন্য ডেইলি চার্ট ব্যবহার করে। মূলত, আমরা প্রাইস এর ঠিকঠাক ক্যান্ডল এর জন্য অপেক্ষা করি (যেটাকে আমি “মাস্টার ক্যান্ডল” বলি)। একটি মাস্টার ক্যান্ডল তখনই সৃষ্টি হয় যখন তার পরে কমপক্ষে পরপর ২ টি ক্যান্ডল গঠিত হয় যাদের হাই (high) এবং লো (low) মাস্টার ক্যান্ডল এর হাই এবং লো এর মধ্যে থাকে। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি ৮. অ্যাডভান্সড ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি – (ইউরো/ ইউএসডি ব্রেক আউট সিস্টেম) ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি – (ইউরো/ ইউএসডি ব্রেক আউট সিস্টেম) আমরা আমাদের নতুন ফরেক্স স্ট্রাটেজি নিয়ে ডিসকাশন এর জন্য একটি নতুন পেজ চালু করেছি। এই ফরেক্স সিস্টেম আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাদের দেয়া সময় এবং চেষ্টার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। এই একই রকম স্ট্রাটেজি তে আপনার বক্তব্য কি জানান। টাইম ফ্রেমঃ ১ ঘণ্টা ইএমএ(১৪৪) এবং ইএমএ(১৬৯) এবং এসএমএ(৪০০) যে স্ট্রাটেজি তে ১.০০ জিএমটি থেকে ৬.০০ জিএমটি পর্যন্ত ক্যান্ডল এর সবচেয়ে উঁচু এবং সবচেয়ে নিচু পয়েন্ট ব্যবহার করে। ট্রেড করতে হলে যেসব শর্ত পূরণ করা দরকার- ১- এন্ট্রি প্রাইস অবশ্যই বেগাস টানেল এবং/ অথবা এসএমএ(৪০০) থেকে ৩৫ পয়েন্ট (রিবাউন্ড জোন্স) দূরে রাখতে হবে। ২- ৬.০০ জিএমটি তে ক্যান্ডল ক্লোজ হওয়ার পর অর্ডার সেট করতে হয়। সবচেয়ে উঁচু পয়েন্ট এর ৫ পিপ উপরে বাই স্টপ সেট করুন। সবচেয়ে নিচু পয়েন্ট এর ৫ পিপ নিচে সেল স্টপ সেট করুন। স্টপ লস গুলো যথাক্রমে সবচেয়ে উঁচু পয়েন্ট এর +৩ পিপ উপরে এবং সবচেয়ে নিচু পয়েন্ট এর -৩ পিপ নিচে সেট করতে হবে। লিমিট অর্ডার= স্টপ লস যেখানে দেয়া হবে তার +১৫ পিপ দূরত্বে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুনঃ ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি পরবর্তী পোষ্টে আরও কিছু ফরেক্স ট্রেডিং স্ট্রাটেজি নিয়ে আলোচনা করব।

1 comment:

  1. শুভেচ্ছা জানাচ্ছি,

    আমি হেমা ইন্সটাফরেক্স পার্টনার ম্যানেজার।

    আমরা আপনাকে প্রস্তাব জানাতে চাই ইন্সটাফরেক্স পার্টনার প্রোগ্রামে যেখানে আপনি কমিশন পাবেন আপনার প্রতিটা গ্রাহক থেকে। গ্রাহকদের থেকে প্রাপ্ত কমিশন আপনার অ্যাকাউন্ট এ জমা হয়ে যাবে যেটা আপনি সহজেই উত্তোলন করতে পাড়বেন। এর জন্য আপনাকে কোন ইনভেস্ট বা ট্রেড করতে হবে না ।

    আপনি যদি আগ্রহী হন অথবা যদি কোন প্রশ্ন থাকে নিঃসংকোচে আমার সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা কৃতার্থ হব আমাদের পরস্পরের লাভ সম্পর্কে আলোচনা করতে । আমাদের এই প্রস্তাব সম্পর্কে আপনার মতামত অবশ্যই আমাকে জানাবেন।

    ধন্যবাদ। অপেক্ষা করছি আপনার আগ্রহ সম্পর্কে জানতে।

    ReplyDelete